গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি
বরিশালের গৌরনদী পৌরসভা প্রথম শ্রেনিতে উন্নতি হলেও ১ নং ওয়ার্ডের জন সাধারন পৌর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
পৌরসভার ১ নংওয়ার্ডের নীলখোলা আনোয়ারা প্রি-ক্যাডেট স্কুল হয়ে টরকী বন্দরের যাওয়ার সড়কটি প্রায় ১২ মাসই হাটু পানি জমে থাকে। ফলে সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। যানবাহন চলাচলের সময় সড়কের পানি ছিটকে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের কাপড়-চোপড় ভিজে নষ্ট হচ্ছে। দীর্ঘ দিন যাবত সমস্যার সমউখিন হলেও পৌর কর্তৃপক্ষ সমাধানের কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।
ভূক্তভোগিরা দ্রুত সমস্যা সমাধানের জন্য প্রশাসনের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক হয়ে নীলখোলা আনোয়ারা প্রি-ক্যাডেট স্কুলের সম্মুখ হয়ে টরকী বন্দরের যাওয়ার একমাত্র সড়ক। সড়ক দিয়ে টরকী বন্দর ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, টরকী বন্দর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২টি কিন্ডার গার্ডেন ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ একাধিক মাদ্রসার শিক্ষার্থী, ৪টি মসজিদের মুসুল্লী, ৩টি মন্দিরের ভক্তবৃন্দ সহ প্রতিদিন শত শত পথচারী যাতায়াত করেন। এ ছাড়া এ সড়কের দু’পাশে দোকান-পাট সহ ৭০ থেকে ৮০টি বাড়ি রয়েছে। প্রতিদিন তিন শতাধিক পরিবার ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
টরকী বন্দর ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা ইসলাম তানহা বলেন, সড়কটি নীলখোলা আনোয়ারা প্রি-ক্যাডেট স্কুল থেকে শুরু হয়ে টরকী বন্দর ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, টরকী বন্দর গার্লস স্কুল হয়ে টরকী বন্দর ছাগলহাট হয়ে টরকী বন্দর বড় ব্রিজ পর্যন্ত চলে গেছে। এ সড়কে একটু বৃষ্টির হাটু পানি জমে থাকে। ভ্যান, মটোরসাইকেল বা রিকশা একটু জোরে গেলে পানি ছিটকে আমাদের জামা-কাপড় নষ্ট হয়ে যায়।
স্থানীয় ভ্যানচালক জব্বার আলী বলেন,খুব সাবধানে গাড়ি চালাই, তারপরও অনেক সময় পানি ছিটকে যায়। তখন যাত্রীদের বকা-ঝকি শুনতে হয়। টরকী বন্দর ছাগল হাটে ছাগল ক্রেতা-বিক্রেতারাও ভোগান্তিতে পড়েন সড়কে পানি জমে থাকার কারণে। এতে তাদের ক্রয়-বিক্রয় কম হয় এবং আয়ের ওপর প্রভাব পড়ে’।
স্থানীয় টাইলস ব্যবসায়ী কাওছার ফকির অভিযোগ করে বলেন, এখানে প্রায় ২৫টি দোকান রয়েছে, তার মধ্যে ৬টি টাইলসের দোকান। এছাড়া রয়েছে ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ৭টি ধর্মীয় উপাসনালয়। বাসাবাড়ি রয়েছে প্রায় ৮০টি, যেখানে প্রায় ৩ হাজার মানুষ বসবাস করে। রাস্তায় পানি জমে থাকার কারণে ব্যবসায় অনেক ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় বাড়ির মালিক মিন্টু মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, এই সড়কের নিচ দিয়ে পৌরসভার পানির সরবরাহ লাইনের পাইপ ফেটে গেছে। তাই সেখান থেকে পানি বের হয়ে সড়কে জমে থাকে। এছাড়া বৃষ্টির পানি নামার মতো সঠিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। বহুবার পৌরসভাকে জানালেও কোনো সমাধান পাইনি।
এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিফাত আরা মৌরি বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আমি সরেজমিনে গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.