পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি
আজ ২৯ নভেম্বর পঞ্চগড় মুক্ত দিবস। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস স্মরণে জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নানা আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি পালন করেছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে জেলা প্রশাসক কাজী মোঃ সায়েমুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এরপর বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
মোনাজাত শেষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়, যা বধ্যভূমি স্মৃতি ফলক চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে পুনরায় শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক কাজী মোঃ সায়েমুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়খুল ইসলাম, পিপি অ্যাডভোকেট আদম সুফি, জিপি আব্দুল বারী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী।
বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আলাউদ্দিন প্রধান জানান, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর পাকবাহিনী সারাদেশে আক্রমণ শুরু করলেও ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত পঞ্চগড় মুক্ত ছিল। ১৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টায় পাকবাহিনী পঞ্চগড় দখল করে। তবে তেঁতুলিয়া সড়কের অমরখানায় চাওয়াই নদীর ওপর একটি ব্রিজ ভেঙ্গে দেওয়ায় পাকসেনারা তেঁতুলিয়ায় প্রবেশ করতে পারেনি। ফলে পুরো মুক্তিযুদ্ধের সময় তেঁতুলিয়া হানাদার মুক্ত অঞ্চল হিসেবে রয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ১ নভেম্বর থেকে মুক্তিবাহিনী ভারতীয় মিত্র বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে আক্রমণ শুরু করে। ধাপে ধাপে বিভিন্ন এলাকা মুক্ত হয়। ২৮ নভেম্বর রাতে পাকবাহিনী পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ও নীলফামারীর ডোমার হয়ে সৈয়দপুরের দিকে পিছু হটে। অবশেষে ২৯ নভেম্বর ভোরে পঞ্চগড় পুরোপুরি হানাদার মুক্ত হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2025 Nabadhara. All rights reserved.