Nabadhara
ঢাকাশুক্রবার , ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝিনাইদহ
  13. ঢাকা বিভাগ
  14. তথ্যপ্রযুক্তি
  15. দিনাজপুর
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গোয়ালন্দে মাঠের পাকা ধান নিয়ে কৃষক বিপাকে, স্কুলের বেড়া  অপসারণের দাবি

শামীম শেখ, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
ডিসেম্বর ৫, ২০২৫ ৪:২৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শামীম শেখ, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের তেনাপচা মাঠের পাকা ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন  শতশত কৃষক।

কৃষকের চলাচল ও ফসল পরিবহনের পথ বেড়া দিয়ে আটকে দেয়ায় এ অবস্হার সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে বিক্ষুব্ধ কৃষক-কৃষানী দ্রুত বেড়া অপসারণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শুক্রবার (৫.১২.২৫) সকাল ১১ টার দিকে সরেজমিন তেনাপচা মাঠে গেলে মাঠের আশপাশের অনেক কৃষক সাংবাদিকদের দেখে তাৎক্ষণিক মানববন্ধন রচনা করে বেড়া খুলে দেয়ার দাবি জানান।

এ সময় দেখা যায়, বিশাল মাঠটির অধিকাংশ ধান পেঁকে গেছে। ধানগুলো কাটতে ব্যস্ত কৃষকরা। কিন্তু ধানগুলো পরিবহন করে বাড়িতে নেয়ার  দীর্ঘদিনের রাস্তাটি বেড়া দিয়ে আটকে দিয়েছে বাড়াবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কতৃপক্ষ।

এ সময় আলাপকালে কৃষক ইদ্রিস শেখ, নিজাম শেখ,ফজলু শেখ, কৃষাণী সেতু বেগমসহ কয়েকজন জানান, এই তেনাপচা মাঠে অন্তত ১৫’শ বিঘা জমির ধান পাকা রয়েছে।

তারা দীর্ঘদিন ধরে এই মাঠের ফসল বাড়াবাড়ি স্কুলের পাশ দিয়ে চলে যাওয়া কাঁচা রাস্তা দিয়ে বাড়িতে নিতেন এমনকি তারা সারা বছর মাঠে আসা-যাওয়া করতেন। কিন্তু সম্প্রতি পথটিতে ইট বিছিয়ে রাস্তা করে দেয়ার পর প্রধান শিক্ষক সাহেদা বেগম টিনের বেড়া দিয়ে স্কুলের পুরো জায়গা আটকে দিয়েছেন।  সে সময় আমরা তাকে পাশ দিয়ে খানিকটা পথ রাখার অনুরোধ করলেও তিনি কর্নপাত করেননি।

এ সময় দেবগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ ইসমাইল হোসেন মোল্লা জানান, এই মাঠে তার নিজেরও ১৮ বিঘা জমির  পাকা ধান রয়েছে। ধানগুলো কেটে বাড়িতে নেয়ার একমাত্র পথটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক বেড়া দিয়ে বন্ধ করে রেখেছেন। তিনি তাদের কারো কোনো কথা শুনেছেন না।

স্হানীয় কৃষক  ইদ্রিস শেখ জানান, এই মাঠে তার ২০ বিঘা জমির ধান পেকে গেছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েক বিঘা জমির ধান কেটে মাঠেই ফেলে রেখেছেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষককে বেড়াটা খুলে দিতে বললে তিনি খুলে না দিয়ে রুক্ষ আচরন করেন।

স্হানীয় গ্রাম পুলিশ মোহাম্মদ আলী জানান, আমি কৃষকদের সমস্যা ও ক্ষোভের বিষয়টি ইউএনও স্যারকে জানিয়েছি। তিনি দ্রুত সমাধানের জন্য আশ্বস্ত করেছেন।

প্রধান শিক্ষক সাহিদা বেগম মুঠোফোনে যুগান্তরকে জানান, স্কুলের জায়গা তো দীর্ঘদিন খোলামেলা রাখা যায় না। তাই শিক্ষা অফিসের নির্দেশক্রমে বেড়া দিয়ে আটকে দিয়েছি। এখন শিক্ষা অফিসার কিংবা ইউএনও স্যার বললে খুলে দেব।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, তিনি ইতিমধ্যে কৃষকদের সমস্যাটি শুনেছেন। রবিবার স্কুল খুললে সরেজমিন গিয়ে একটা সমাধান বের করার চেষ্টা করব।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।