রাসেল আহমেদ, খুলনা প্রতিনিধি
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে খুলনার ছয়টি সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাথমিক প্রতিযোগিতার ছবি স্পষ্ট হয়েছে। চার দিন ধরে চলা যাচাই প্রক্রিয়া শেষে ৪৬ জনের মধ্যে ৩৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শর্ত পূরণে ব্যর্থতা ও নথিগত ত্রুটির কারণে বাতিল হয়েছে ১১ জনের মনোনয়ন।
খুলনা জেলা প্রশাসক ও আঞ্চলিক রিটার্নিং কর্মকর্তা আ.স.ম. জামশেদ খোন্দকার রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাম দল ও খেলাফতভুক্ত দলগুলোর পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অংশগ্রহণে মনোনয়ন জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিটি আসনেই বৈধ ও বাতিল প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।
খুলনা-১: প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশি, বাতিলও তিন
১৩ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে তিনজন বাদ পড়েছেন। ফলে এ আসনে ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন ১০ জন। বৈধ তালিকায় রয়েছে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, বাম ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। বাতিল হয়েছেন এক দলীয় ও দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী।
খুলনা-২: চারজনই টিকে গেলেন এই আসনে জমা পড়া চারটি মনোনয়নই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরা সরাসরি ভোটের মাঠে নামছেন।
খুলনা-৩: স্বতন্ত্রদের ঝরে পড়া ১২ জনের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী যাচাইয়ে টিকতে পারেননি। ফলে রাজনৈতিক দল ও দুই স্বতন্ত্র মিলিয়ে ৯ জন প্রার্থী বৈধতা পেয়েছেন।
খুলনা-৪: পাঁচে চার এ আসনে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। চারটি দলীয় মনোনয়ন বৈধ থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমিত পরিসরে গড়াচ্ছে।
খুলনা-৫: দুই দলের ধাক্কা ছয় প্রার্থীর মধ্যে দুইজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বৈধ তালিকায় রয়েছে বিএনপি, জামায়াত, সিপিবি ও খেলাফত মজলিসের প্রার্থীরা।
খুলনা-৬: চারজন চূড়ান্ত এ আসনেও ছয়জনের মধ্যে দুইজন বাদ পড়েছেন। বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও সিপিবির প্রার্থীরা বৈধতা পেয়েছেন।
নির্বাচন কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীরা চাইলে আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তির পরই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে খুলনায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে নির্বাচনী প্রচার।

