Nabadhara
ঢাকামঙ্গলবার , ৬ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. প্রধান সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম, গ্যাস সংকটে ভোগান্তিতে বাবুগঞ্জ

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি
জানুয়ারি ৬, ২০২৬ ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি

চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় বাবুগঞ্জ উপজেলায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলার জ্বালানি গ্যাসের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও তার বিপরীতে সরবরাহ কম থাকায় সংকট ক্রমেই প্রকট আকার ধারণ করছে। এতে করে ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ডিলারদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাবুগঞ্জ উপজেলায় গৃহস্থালি ও বাণিজ্যিক কাজে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় অনেক এলাকায় নির্ধারিত সময়ে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সাধারণ গ্রাহকদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

এদিকে ভোক্তা পর্যায়ে চলতি জানুয়ারি মাসে এলপিজির দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার ঘোষিত সর্বশেষ মূল্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে ১২ কেজি বোতলজাত এলপিজির দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ডিসেম্বর ২০২৫ মাসে একই পরিমাণ এলপিজির দাম ছিল ১ হাজার ২৫৩ টাকা। উল্লেখ্য, গত মাসেও এলপিজির দাম ৩৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছিল।

এ বিষয়ে যমুনা এলপি গ্যাসের ওয়্যারহাউস ইনচার্জ মোহাম্মদ ফয়সাল আলম বলেন, হঠাৎ করেই বরিশাল অঞ্চলে এলপিজির সরবরাহ কমে গেছে। যদিও চাহিদা আগের মতোই রয়েছে, তবে এটি আমদানি নির্ভর পণ্য হওয়ায় আমদানিতে দেরি হচ্ছে। সে কারণেই সাময়িকভাবে সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে।

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং আমদানি কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে সরবরাহও দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, বাবুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হন্য হয়ে খুঁজেও এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও আদায় করা হচ্ছে বাড়তি দাম। এলপিজি সংকটের সুযোগে অসাধু ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, উপজেলার কিছু এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে কোথাও কোথাও ২ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছে, যা সরকার নির্ধারিত দামের তুলনায় অনেক বেশি। গ্যাস সংকট ও চড়া মূল্যের কারণে অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে মাটির চুলায় রান্না শুরু করেছে।

ভোক্তারা দ্রুত গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো, কৃত্রিম সংকট রোধ এবং সহনশীল পর্যায়ে মূল্য নির্ধারণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।