Nabadhara
ঢাকাসোমবার , ১২ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. প্রধান সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পরিকল্পনাকারীকে আসামি না করায় ক্ষোভ, আমতলীতে বিক্ষোভ

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
জানুয়ারি ১২, ২০২৬ ৭:৩২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলী উপজেলার উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের জহিরুল সিকদার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীকে আসামি না করতে পুলিশ কর্মকর্তা হুমকি দিয়েছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে রফাদফারের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে। অভিযোগটি করেছেন নিহতের স্ত্রী নুপুর বেগম।

হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ফারুক হোসেন জাকিরকে আসামি করা ও ওসি (তদন্ত)-এর শাস্তির দাবিতে সোমবার দুপুরে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের ফরিদ সিকদারের সঙ্গে তার ভাই মুনসুর সিকদারের ১০ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত শনিবার সকাল ১১টার দিকে ফরিদ সিকদার ওই জমি চাষাবাদ করতে গেলে মুনসুর সিকদার একটি ছুরি নিয়ে তাকে ধাওয়া করেন। এ সময় ফরিদের ডাকচিৎকারে তার চাচাতো ভাই জহিরুল সিকদার ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং মুনসুর সিকদারকে নিবৃত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে মুনসুর সিকদার জহিরুল সিকদারের পেটে ছুরিকাঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।

নিহতের স্ত্রী নুপুর বেগমের অভিযোগ, এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মুনসুর সিকদারের ছেলে ফারুক হোসেন জাকির। তার পরিকল্পনাতেই মুনসুর সিকদার জহিরুল সিকদারকে হত্যা করেছেন। ঘটনার দিন বিকেলে তিনি আমতলী থানায় মামলা করতে গেলে ওসি (তদন্ত) সাইদুর রহমান তাকে ফারুক হোসেন জাকিরকে আসামি না করতে চাপ দেন এবং পাঁচ লাখ টাকায় রফাদফারের প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার পর থেকেই ফারুক হোসেন জাকির পলাতক রয়েছেন।

এ ঘটনার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাবিবা, পপি বেগম, নুরুননাহার, আম্বিয়া বেগম, আমিরুল খান, মোস্তফা গাজীসহ আরও অনেকে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর ঘাতক মুনসুর সিকদার ও তার স্ত্রী শেফালী বেগমকে গ্রেপ্তার করে রোববার বিকেলে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতের বিচারক মো. ইফতি হাসান ইমরান তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, মূল পরিকল্পনাকারী ফারুক হোসেন জাকিরকে আসামি না করেই মাত্র দুইজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার বাদী নুপুর বেগম বলেন, “আমি হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ফারুক হোসেন জাকিরকে আসামি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওসি (তদন্ত) সাইদুর রহমান তাকে আসামি না করেই মামলা রেকর্ড করেন। তিনি আমাকে মামলা করতে নিরুৎসাহিত করেছেন এবং রফাদফারের প্রস্তাব দিয়েছেন। আমি এর সুষ্ঠু বিচার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার শাস্তি চাই।”

এ বিষয়ে আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মো. সাইদুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “তদন্তে আরও কেউ জড়িত প্রমাণিত হলে তাকেও অবশ্যই আসামি করা হবে।”

বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা বলেন, “বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।