Nabadhara
ঢাকামঙ্গলবার , ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. প্রধান সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পোস্টার নিষিদ্ধে বিপাকে খুলনার প্রিন্টিং শিল্প, আয় হারাচ্ছেন মালিক-শ্রমিক

রাসেল আহমেদ, খুলনা প্রতিনিধি
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬ ৭:৫৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

রাসেল আহমেদ, খুলনা প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী প্রচারণায় প্রথমবারের মতো পোস্টার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়নে নেমেছে সংস্থাটি। তবে এই সিদ্ধান্তে খুলনার প্রিন্টিং শিল্পে নেমে এসেছে হতাশার ছায়া। আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন প্রেস মালিক ও শ্রমিকরা।

খুলনা নগরীর আরাফাত গলির এআর সিটিপি ডিজিটাল প্রেসের মালিক তপন জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন এলেই তারা বড় আয়ের প্রত্যাশা করেন।
তিনি বলেন, “সবাই যেমন ঈদের অপেক্ষা করে, আমরাও তেমন পাঁচ বছর ধরে নির্বাচনের অপেক্ষায় থাকি। পোস্টার ছাপানোই আমাদের সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস। কিন্তু এবার তা নিষিদ্ধ হওয়ায় মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছি। নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে আগেই কাগজ কিনেছি, কর্মচারীদের অগ্রিম টাকা দিয়েছি। এখন কাজ না থাকায় বিপদে আছি।”

একই এলাকার আজিজ প্রেসের ম্যানেজার ইমরান আলি বলেন, পোস্টার না থাকায় কাজের পরিমাণ অনেক কমে যাবে।

তিনি বলেন, “নির্বাচনের সময় কর্মচারীরা ওভারটাইম করত, এতে তাদের বাড়তি আয় হতো। মালিকদেরও কিছু লাভ থাকত। এবার সেই সুযোগ থাকছে না।”
ফাহিম প্রেসের মালিক পারভেজ হোসেন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরেই লোকসানের মধ্যে রয়েছেন।

তিনি বলেন, “২০১৯ সাল থেকেই আমরা লোকসান গুনছি। কাগজের দাম বাড়লেও কাজের মূল্য বাড়েনি। ভেবেছিলাম নির্বাচনের সময় পোস্টারের কাজ করে কিছুটা ঘুরে দাঁড়াবো। কিন্তু নিষেধাজ্ঞায় সেই আশাও শেষ।”

প্রেস শ্রমিক মো. সোহান হোসেন বলেন, নির্বাচনের সময় বাড়তি কাজ করে সংসারের খরচ চালাতে সুবিধা হতো।
তিনি বলেন, “ওভারটাইম করলে আয় বাড়তো। এবার কাজ কম হলে সংসার চালানো কষ্ট হয়ে যাবে।”
নগরীর বেনুবাবু রোডের কাঁকন প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন্সের মালিক শেখ নাসির উদ্দিন বলেন, করোনার পর থেকেই প্রেস ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, “ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা কিংবা জাতীয় নির্বাচন এলেই পোস্টার ও লিফলেট ছাপিয়ে কিছুটা লাভ হতো। এবার সেটাও বন্ধ। প্রচারণায় পোস্টার নিষিদ্ধ থাকায় আমরা চরম হতাশ।”

প্রেস মালিক ও শ্রমিকদের অভিযোগ, পরিবেশ রক্ষা ও শহর পরিচ্ছন্ন রাখার যুক্তিতে পোস্টার নিষিদ্ধ করা হলেও বিকল্প প্রচারণা সামগ্রী যেমন লিফলেট, বুকলেট কিংবা ব্যানার ব্যবহারের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। এতে তাদের ব্যবসা বড় ধরনের সংকটে পড়েছে।
তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে প্রিন্টিং শিল্প সংশ্লিষ্টদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি কিংবা নীতিমালায় শিথিলতার দাবি জানিয়েছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।