রাসেল আহমেদ, খুলনা প্রতিনিধি
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর খুলনায় সম্ভাব্য সন্ত্রাস সৃষ্টিকারীদের তালিকা হাতে পেয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পরপরই তালিকাভুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
গেল মাসে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আ.স.ম জামশেদ খোন্দকার।
একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি সভায় বলেন,
“নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যারা সহিংসতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে, তাদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। মনোনয়ন প্রত্যাহারের পরপরই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আরও জানান, “গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, গণভোটকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি দেখা দিয়েছে। দ্রুত তা দূর করা হবে।”
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বডি অন ক্যামেরা, কেপিআই এলাকায় সিসি ক্যামেরা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং যৌথ বাহিনীর টহল জোরদার করা হবে।
খুলনা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (দক্ষিণ) অমিত বর্মণ বলেন, “নগরীতে চেকপোস্টের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করা হবে।”
র্যাবের উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, “নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ১৩০ সদস্যের মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। মোবাইল কোর্ট এবং চেকপোস্ট সার্বক্ষণিক সক্রিয় থাকবে।”
বিজিবি সহকারী পরিচালক মোঃ সফিয়ার রহমান বলেন, “প্রত্যেক উপজেলায় ২০ জন করে বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। তারা ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তৃণমূলে অবস্থান করবেন।”
নৌ পুলিশের সহকারী সুপার মোঃ সাদিকুর রহমান জানান, “নদীপথে নজরদারি ও নৌ টহল থাকবে। কয়রার আমাদী ও দক্ষিণ বেদকাশিতে ৯৫ জন এবং তেরখাদা ও দিঘলিয়া এলাকায় ২০০ জন নৌ পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।”
প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.