যশোর প্রতিনিধি
যশোরের আট উপজেলায় সাব-রেজিস্টার সংকট থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ নির্ধারিত সময়ে জমি-জমার রেজিস্ট্রির সেবা পাচ্ছেন। জেলার মাত্র তিনজন সাব-রেজিস্টার এবং পাশের ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ উপজেলার একজন সহায়তার মাধ্যমে আট উপজেলার সব সাব-রেজিস্ট্রি অফিস কার্যক্রম চালাচ্ছে।
যশোর সদর অফিসে আমেনা বেগম দায়িত্ব পালন করছেন। ঝিকরগাছা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দায়িত্বে আছেন এস এম শাহীন আলম, যিনি চৌগাছা, শার্শা ও বাঘারপাড়া উপজেলা অফিসেরও দায়িত্ব পালন করছেন। অভয়নগর উপজেলায় ইকবাল হোসেন দায়িত্বে আছেন। মণিরামপুর ও কেশবপুরের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে ঝিনাইদহের কালিগঞ্জের সাব-রেজিস্টারের মাধ্যমে।
সেবা গ্রহিতা সোহরাব হোসেন বলেন, “জমি বিক্রির জন্য অফিসে আসার পরই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কোনো ধরনের বিড়ম্বনা হয়নি। প্রতিটি সপ্তাহে নির্ধারিত দিনে সেবা পাওয়া যায়।”
সাব-রেজিস্টার এস এম শাহীন আলম বলেন, “একদিনে এক সপ্তাহের সব কাজ সম্পন্ন করি। কাগজপত্র সঠিক থাকলে কেউ দুর্ভোগে পড়ে না।”
যশোর জেলা রেজিস্টার আবু তালেব জানিয়েছেন, অফিসার সংকট থাকা সত্ত্বেও সব উপজেলায় সেবা প্রদান নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে। সদর ও অভয়নগর উপজেলায় সপ্তাহে প্রতিদিন, বাকিগুলোতে সপ্তাহে একদিন করে সেবা দেওয়া হয়।

