Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. প্রধান সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পায়ে হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিবেন গোপালগঞ্জের ৪ রোভার

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 
জানুয়ারি ৩১, ২০২৬ ১২:০৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জ জেলা রোভারের চারজন রোভার স্কাউট পায়ে হেঁটে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রমের লক্ষ্যে পরিভ্রমণ শুরু করেছেন। গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) ক্যাম্পাস থেকে পটুয়াখালীর পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত এই দীর্ঘ পথচলা পাঁচ দিনে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেইট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের যাত্রা শুরু হয়। এই পরিভ্রমণে অংশগ্রহণ করছেন গোবিপ্রবির তিন শিক্ষার্থী—রোভার ইমরান, রোভার অশোক ও রোভার তরিকুল এবং সরকারি মুকসুদপুর কলেজের শিক্ষার্থী রোভার মুরছালিন।

পরিভ্রমণকারীরা গোপালগঞ্জ থেকে যাত্রা শুরু করে বাগেরহাট, পিরোজপুর ও বরগুনা হয়ে পটুয়াখালীর পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পৌঁছাবেন। পাঁচ দিনের এই পরিভ্রমণের অংশ হিসেবে তারা বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং সামাজিক সচেতনতা মূলক কার্যক্রমে অংশ নেবেন।

যাত্রা শুরুর সময় উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক  মো. মজনুর রশিদ (উডব্যাজার) এবং গোপালগঞ্জ জেলা রোভারের সম্পাদক ও ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুবাইর আল মাহমুদ (এ.এল.টি.)।

এ বিষয়ে রোভার ও দলনেতা ইমরান (ইংরেজি বিভাগ) বলেন,“সহজভাবে বললে, পরিভ্রমণ হলো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পায়ে হেঁটে ভ্রমণ করা। সাধারণ ভ্রমণের চেয়ে পরিভ্রমণে বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষা, অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণের বাস্তব দিকটি বেশি গুরুত্ব পায়। মূলত প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জনের লক্ষ্যে ছয়টি পারদর্শিতা ব্যাজের অন্তর্ভুক্ত পরিভ্রমণকারী ব্যাজ অর্জনের জন্য এই কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছি।”

পরিভ্রমণ সম্পর্কে রোভার তরিকুল (ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ) বলেন,“পরিভ্রমণের মাধ্যমে আমরা প্রকৃতি ও পরিবেশের খুব কাছাকাছি গিয়ে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাই। ঐতিহাসিক স্থাপনা দর্শন, সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে জানা যায়। দীর্ঘ পথ পায়ে হাঁটার ফলে আত্মবিশ্বাস ও সহনশীলতা বৃদ্ধি পায় এবং দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে। একই সঙ্গে এটি মানসিক প্রশান্তি ও স্মৃতির ভান্ডার সমৃদ্ধ করে।”

রোভার স্কাউটদের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব, সহনশীলতা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।