Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. প্রধান সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাগেরহাট-১: বিএনপি’র গলার কাঁটা বিদ্রোহী, সুযোগ নিতে চায় জামায়াত

Link Copied!

শফিকুল ইসলাম সাফা, চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি 

বাগেরহাট-১ আসনে এবার চতুর্মুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এখানে বিএনপি’র মনোনয়ন পেয়েছেন মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল। আসনটিতে প্রায় এক চতুর্থাংশ হিন্দু ভোটার থাকায় এবং একটি বড় দলের প্রার্থী হওয়ায় তিনি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

তবে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে বাগেরহাট-২ আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এম.এ.এইচ. সেলিম সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘ঘোড়া’ প্রতিক ও জেলা বিএনপি সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘ফুটবল’ প্রতিক নিয়ে মাঠ গরম করছেন। মাসুদ রানা বিগত ২০১৮ সালে এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসের শূরা সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান খান ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতিক নিয়ে লড়ছেন। এই চার প্রার্থীর মধ্যেই মূল লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন সাধারণ ভোটাররা। তবে এ আসনে ইসলামী আন্দোলনের কোনো প্রার্থী না থাকায় তারা সতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ রানার ‘ফুটবল’ প্রতিককে সমর্থন দিয়েছেন।

ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনটির মোট ভোটারের সংখ্যা ৩,৭৫,৫৬০; নারী ভোটার ১,৮৪,৭২০; পুরুষ ভোটার ১,৯০,৮৩৮ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন।

জামায়াত এ আসনে কখনো ভালো অবস্থানে না থাকলেও এবার মরণপণ চেষ্টা চালাচ্ছে। তারা নিজেদের অবস্থান অনেকটা সুসংহত করতে সক্ষম হয়েছে এবং ভোটারদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করছেন। এছাড়া উপজেলায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সনাতন ধর্মাবলম্বী (হিন্দু) ভোটার থাকায় অতীতের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এসব ভোটের বড় ভূমিকা দেখা গেছে। এবার নির্বাচনে বিএনপির মতো বড় দল থেকে সনাতন ধর্মের প্রার্থী হওয়ায় এই ভোট ধানের শীষের দিকে যাবে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছে। এ দিক দিয়ে বিএনপির প্রার্থী জয়ের ব্যাপারে অনেকটা আশাবাদী।

কিন্তু আসনে বিএনপি’র গলার কাঁটা হিসেবে সামনে এসেছেন বিদ্রোহী প্রার্থী এম.এ.এইচ. সেলিম ও ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা। তারা ছাড় দিতে নারাজ। এ আসনে বিএনপি’র ভোট তিন ভাগে বিভক্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুযোগ কাজে লাগাতে চাচ্ছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতিকের অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান খান। অনেক ভোটারের মতে, বিএনপি’র ভোট বিভক্ত হলে জামায়াত প্রার্থী অপ্রত্যাশিত সুবিধা পেতে পারে।

স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে এই আসনে বেশির ভাগ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়েছে। ১৯৮৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১১ বার আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। তবে ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টি ও ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপি এখান থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। যদিও ওই দুটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করেননি।

আওয়ামী লীগ না থাকায় এবারের নির্বাচনে তাদের ভোট জয়-পরাজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ নির্বাচনে আসন থেকে ৮ জন প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। তারা হলেন:বিএনপি: কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল

জামায়াত: অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান খান

সতন্ত্র: এম.এ.এইচ. সেলিম, ইঞ্জিনিয়ার শেখ মাসুদ রানা

জাতীয় পার্টি: স.ম. গোলাম সরোয়ার

এবি পার্টি: মো. আমিনুল ইসলাম

বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল): আ. সবুর শেখ,বাংলাদেশ মুসলিম লীগ এম.ডি. শামসুল হক।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।