মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার আশিদ্রোন ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে টিআর/কাবিখা খাতের আওতায় গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন কাজ নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, ২ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও কাজ হয়েছে নামমাত্র, বাকি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
জানা গেছে, দুলাল মিয়ার বাড়ি থেকে রাহমানি জামে মসজিদ পর্যন্ত সড়কে ইট সলিং করার জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে সরেজমিনে এলাকাবাসী জানান, কাজটি নিম্নমানের হওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে দেবে গেছে এবং চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় ভাঙা ও অর্ধেক ইট ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সলিংয়ের নিচে প্রয়োজনীয় বালির স্তর না দিয়েই ইট বসানো হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাজ চলাকালীন সময়েই নিম্নমানের ইট ও অনিয়মের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যকে জানানো হলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। বরং তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ দেখিয়ে বিল উত্তোলনের চেষ্টা করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে স্কুলের শিক্ষার্থী, বয়স্ক মানুষ ও রোগীরা চলাচল করেন। এমন দায়সারা কাজের চেয়ে আগের মাটির রাস্তাই ভালো ছিল।”
অভিযোগের বিষয়ে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বলেন, “গাড়ি চলাচলের কারণে ইট ভেঙে গেছে।” কত ফিট সলিং করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রায় ৩০০ ফিট কাজ হয়েছে। তবে ২ লাখ টাকায় মাত্র ৩০০ ফিট কাজ কেন—এ প্রশ্নে তিনি ব্যস্ততার অজুহাতে বিস্তারিত বলতে রাজি হননি।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা প্লাবন বলেন, “আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বরাদ্দের অর্থ সঠিকভাবে সড়ক উন্নয়নে ব্যয়ের দাবি জানিয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.