চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ভৈরব নদ থেকে শিমুল (৩০) নামে এক যুবকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কালা গ্রাম সংলগ্ন নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিবারের দাবি— পরকীয়া সম্পর্কের জেরে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত শিমুল উপজেলার ধোপাখালী গ্রামের মাঠপাড়ার মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে। তিনি তিন সন্তানের জনক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে কালা গ্রামের বাসিন্দারা ভৈরব নদে দুর্গন্ধযুক্ত কিছু একটা ভাসতে দেখে সন্দেহ পোষণ করেন। খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদী থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
শিমুলের পরিবারের সদস্যদের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাদের অভিযোগ, জীবননগর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাত্তারের বিবাহিত মেয়ে মীমের সাথে শিমুলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মীম এক সন্তানের জননী হওয়া সত্ত্বেও তাদের মধ্যে এই সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
স্বজনরা জানান, এই সম্পর্কের বিষয়টি মীমের বাবা সাত্তার জানতেন এবং এ নিয়ে ইতিপূর্বে শিমুলকে একাধিকবার প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। পরিবারের ধারণা, সেই শত্রুতার জের ধরেই শিমুলকে হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে নদীতে ফেলে রাখা হয়েছিল।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব সোলায়মান শেখ জানান হত্যাকান্ডের আসল রহস্য উৎঘাটনের জন্য পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এটি হত্যাকাণ্ড কি না তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

