দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও জাসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাজী আরেফ আহমেদসহ পাঁচ জাসদ নেতার হত্যার ২৭তম বার্ষিকী আগামীকাল সোমবার। ১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের কালিদাসপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত সন্ত্রাসবিরোধী জনসভায় কাজী আরেফ আহমেদ, কুষ্টিয়া জেলা জাসদের সভাপতি লোকমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. ইয়াকুব আলী, স্থানীয় নেতা ইসরাইল হোসেন ও সমসের মণ্ডল সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন।
ঘটনার দিনই পুলিশ দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং পরদিন তা সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘ তদন্তের পর ২০০৪ সালের ৩০ আগস্ট কুষ্টিয়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালত ১০ আসামীর ফাঁশি ও ১২ আসামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। রায়ের বিরুদ্ধে আসামীপক্ষের আপিলের পর ২০০৮ সালের ৫ আগস্ট হাইকোর্ট ১০ ফাঁশির মধ্যে ৯ জনের সাজা বহাল রাখে এবং ১২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বাতিল করে।
এরপর ২০১১ সালের ৭ আগস্ট সুপ্রিম কোর্ট ফাঁশির সাজাপ্রাপ্ত ৯ জনের সাজা বহাল রাখে। ২০১৬ সালের ৭ জানুয়ারি যশোর কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামির ফাঁশি কার্যকর করা হয়। তবে ফাঁশির অপর আসামি রওশন আলী এখনও কারাগারে রয়েছেন এবং আরও চারজন আসামী গ্রেফতার হয়নি বলে নিহতদের পরিবার জানিয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে কাজী আরেফ পরিষদ ও ইয়াকুব আলী স্মৃতি সংসদ পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শহীদদের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ এবং স্মরণ সভা।

