রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
রামপাল উপজেলা এলাকায় মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের মডেল কেয়ারটেকার মো. আল মামুন–এর বিরুদ্ধে প্রায় ১২ লাখ টাকা ঘুষ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিভিন্ন দপ্তরে প্রতিকার চেয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ–এর অধীন পরিচালিত মসজিদভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় রামপালে ৭৬টি কেন্দ্র চালু রয়েছে। এসব কেন্দ্রের তদারকির দায়িত্বে থাকা আল মামুন দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, চাকরি টিকিয়ে রাখা, কেন্দ্র পরিদর্শন, মোটরসাইকেল খরচ, অনলাইন ভর্তি, শিক্ষক নিয়োগসহ নানা অজুহাতে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষকের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নেওয়া হয়। শুধু শিক্ষক নিয়োগের নামেই কয়েক লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন তারা।
এ ঘটনায় ২০১৮ সালে ভুক্তভোগীরা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয় ও বাগেরহাট কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর ২০১৯ সালে তাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরে ক্ষমা চেয়ে মুচলেকা দিয়ে পুনরায় কর্মস্থলে যোগদান করেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পুনরায় দায়িত্বে ফেরার পর আবারও অনিয়ম শুরু করেছেন তিনি এবং অভিযোগকারীদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, স্থানীয় কিছু ব্যক্তির সহযোগিতায় এসব কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবে অভিযুক্ত আল মামুন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে বাগেরহাট ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। বিষয়টি উচ্চ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

