হুমায়ুন কবির মিরাজ, বেনাপোল
যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে হত্যা মামলার দুই আসামিকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে গেলে যাচাই-বাছাইয়ের সময় তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার তথ্য পাওয়া যায়। পরে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আটকরা হলেন সুনামগঞ্জ জেলার হালুরগাঁও ও ৯৫ পুরোমুক্তো এলাকার বাসিন্দা জালাল উদ্দিনের দুই ছেলে—সাদিকুর রহমান শামিম ও সাজিদুর রহমান। তারা সম্পর্কেও সহোদর ভাই।
ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, দুপুরে দুই ভাই বেনাপোল ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট জমা দিয়ে ভারতে যাওয়ার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন। নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাসপোর্ট ও ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইন ডাটাবেইসে যাচাই করা হলে তাদের নামে সুনামগঞ্জ জেলায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলার তথ্য শনাক্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাদের গতিবিধি সীমিত করে এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
আটক সাদিকুর রহমান শামিম সাংবাদিকদের জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং ছাত্রলীগের রাজনীতিতেও যুক্ত ছিলেন। স্থানীয় পারিবারিক বিরোধের জেরে তাদের নামে মামলা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “পাসপোর্ট যাচাইয়ের সময় তথ্যভাণ্ডারে তাদের নামে হত্যা মামলা পাওয়া যায়। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী তাদের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”
বেনাপোল পোর্ট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল ইসলাম জানান, সুনামগঞ্জ জেলার সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের ওই থানায় হস্তান্তর করা হবে।
ইমিগ্রেশন সূত্র আরও জানায়, আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে পলাতক আসামিদের পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা রোধে বেনাপোল চেকপোস্টে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত তথ্য যাচাই ও আন্তঃথানা সমন্বয়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের শনাক্তে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.