শারমিন সুলতানা, পলাশ (নরসিংদী)প্রতিনিধি
পলাশে দৃষ্টিনন্দন আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে সুরভিত চারিদিক। গাছের ছোট ছোট ডালের সবুজ পাতার মাঝে হলদে মুকুল, মৌমাছির গুঞ্জন,আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ, বসন্তের আগমনী বার্তা প্রকৃতি যেনো সেজেছে অপরুপ সৌন্দর্যে।
পলাশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,বড়ো থেকে ছোট বিভিন্ন জাতের আম গাছে শোভা পাচ্ছে শুধুই মুকুল আর মুকুল । এ যেন হলুদ আর সবুজের মহামিলন।
মুকুলে ছেয়ে আছে গাছের প্রতিটি ডালপালা। চারদিকে ছড়াচ্ছে সেই মুকুলের সুবাসিত পাগল করা ঘ্রাণ। যেদিকে তাকাই গাছে গাছে এখন শুধু দৃশ্যমাণ সোনালী মুকুলের আভা। মুকুলের ভারে নুইয়ে পড়ার উপক্রম প্রতিটি গাছ। মৌমাছিরাও আসতে শুরু করেছে মধু আহরণে।
এবার প্রায়ই ৯৫ শতাংশ গাছেই এসেছে আমের মুকুল। বাগান মালিক, কৃষি কর্মকর্তা ও আম চাষিরা আশা করছেন, বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পলাশে আমের বাম্পার ফলন হবে। বর্তমানে আমচাষি ও বাগান মালিকরাও বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
পলাশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার বলেন,পলাশের বাগান মালিকরা প্রায়ই ৮৯ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আম চাষ করেছে। এর মধ্যে আম্রপলী,বারিফল,থাইল্যান্ডের আম,জাপানী আম ও দেশি আম। তিনি বলেন আমের ফলন ভালো হওয়ার জন্য আমরা আমচাষীদের বিজ্ঞানসম্মত পরিচর্যা করার পরামর্শ দিয়ে থাকি। কৃষি অফিসের সকল কর্মকর্তারাও সর্বদা তাদের সাথে যোগাযোগ করে থাকে । ক্ষতিকারক পোকার আক্রমণ কম থাকলে এবার কাঙ্ক্ষিত ফলনের আশা করছেন চাষিরা। পলাশজুড়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে আমের বাগান। উৎপাদিত আম মানসম্মত হওয়ায় চাহিদাও বাড়বে অনেক।
পলাশ পজেলা কৃষি অফিসার আয়েশা আক্তার বলেন, আগামী বৈশাখ-জ্যেষ্ঠে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ উঞ্চলে ভালো আম উৎপাদন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.