Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঢাকা বিভাগ
  13. তথ্যপ্রযুক্তি
  14. দিনাজপুর
  15. দৌলতপুর
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রামপালে তীব্র লবণাক্ততার মধ্যেও বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধি

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ ২:২৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

তীব্র লবণাক্ততার বিরূপ প্রভাব থাকা সত্ত্বেও বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ধানের আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো চাষাবাদ এবং উপজেলা কৃষি বিভাগের নিবিড় তদারকির ফলে কৃষকরা এবার ভালো ফলনের আশা করছেন।

রামপাল উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে বোরো ধানের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের ধান ৪ হাজার ৯০ হেক্টর এবং উফশী জাতের ধান ৮১০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে একই সময়ে আবাদ হয়েছিল ৪ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছিল ৪ হাজার ৩৬০ হেক্টর জমিতে। সে তুলনায় এ বছর প্রায় ১০০ হেক্টর জমিতে বেশি আবাদ হয়েছে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে প্রায় ২৩ হাজার ৬২ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে গৌরম্ভা ইউনিয়নে হাইব্রিড ৬১৭ হেক্টর ও উফশী ১৮৯ হেক্টর, উজলকুড় ইউনিয়নে হাইব্রিড ২ হাজার ২৬১ হেক্টর ও উফশী ১৮৯ হেক্টর, বাইনতলা ইউনিয়নে হাইব্রিড ৭০১ হেক্টর ও উফশী ২৩৫ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ২ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। এছাড়া রামপাল সদর ইউনিয়নে হাইব্রিড ৪৫৬ হেক্টর ও উফশী ১১৬ হেক্টর, রাজনগর ইউনিয়নে হাইব্রিড ৭৯ হেক্টর ও উফশী ১৮ হেক্টর, হুড়কা ইউনিয়নে হাইব্রিড ৪ হেক্টর ও উফশী ২ হেক্টর, পেড়িখালী ইউনিয়নে হাইব্রিড ২ হেক্টর ও উফশী ১.৫ হেক্টর, ভোজপাতিয়া ইউনিয়নে হাইব্রিড ৬ হেক্টর ও উফশী ৩ হেক্টর, মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে হাইব্রিড ৮৩ হেক্টর ও উফশী ১৩ হেক্টর এবং বাঁশতলী ইউনিয়নে হাইব্রিড ১০ হেক্টর ও উফশী ৪ হেক্টর জমিতে আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। সব মিলিয়ে উপজেলায় হাইব্রিড ৪ হাজার ২১৯ হেক্টর, উফশী ৬৭৯ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ২ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে।

রামপাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইনশাদ ইবনে আমিন বলেন, রামপাল একটি উপকূলীয় উপজেলা হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তন ও অপরিকল্পিত চিংড়ি চাষের কারণে মাটির লবণাক্ততা বেড়েছে। এতে মাটি ও পানির গুণাগুণ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কৃষকদের কাঙ্ক্ষিত ফলন পেতে সমস্যা হচ্ছে। তবে লবণসহিষ্ণু উন্নত জাতের ধান চাষ, কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণ, কৃষকদের প্রশিক্ষণ, বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে কৃষকরা উপকৃত হচ্ছেন।

তিনি আরও জানান, মাঠ পর্যায়ে মাটি ও পানির গুণাগুণ পরীক্ষা করে জমির উর্বরতা বৃদ্ধির কাজ চলমান রয়েছে। কৃষক ও কৃষিকে সুরক্ষা দিতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।