শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি
শেরপুরর শ্রীবরদী উপজেলাতে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। সিংগাবরুণা ইউনিয়নের কর্ণঝোড়া গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান-এর ভাতাকে কেন্দ্র করে এই বিবাদ দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী স্ত্রী মোছা. ছুহুরা খাতুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৬ আগস্ট বদিউজ্জামান ঢাকার নিউরো সাইন্স ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি এক স্ত্রী ও এক পুত্র সন্তান রেখে যান। স্ত্রী ছুহুরা খাতুন জানিয়েছেন, স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি তার সকল কাগজপত্র সিংগাবরুণা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার নুর ইসলাম-এর কাছে হস্তান্তর করেন।
ভাতা উত্তোলনের সময় দেখা যায়, একই গ্রামের সহিতন নামে একজন নারী অনৈতিকভাবে স্থানীয় কাজীর নিকট থেকে ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে ভাতাভোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে সহিতন কাদের মিয়ার স্ত্রী এবং বর্তমানে তাঁর বাড়িতে বসবাস করছেন। এতে ছুহুরা খাতুন ও তার সন্তান প্রাপ্য ভাতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা সুরুজ্জামান জানান, মৃত বদিউজ্জামান সহিতনকে বিবাহ করেছিলেন, কিন্তু কিছুদিন পর তিনি আবার কাদেরের বাড়িতে চলে যান। তাদের বৈধতা নির্ধারণের জন্য তদন্ত প্রয়োজন।
সহিতন দাবি করেছেন, তিনি বদিউজ্জামানের বৈধ স্ত্রী এবং কাবিননামা তার কাছে আছে। কাজী মাওলানা ইসমাইল হোসেন জানান, নিকাহ রেজিস্ট্রারে তাদের বিবাহ লিপিবদ্ধ আছে। তবে সরেজমিনে কাজীর নিকাহ রেজিস্ট্রারের সাথে সহিতনের স্বাক্ষরের কোনো মিল পাওয়া যায়নি।
সিংগাবরুণা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার নুর ইসলাম জানান, বদিউজ্জামান বেশ কয়েকটি বিয়ে করেছিলেন। সহিতনের কাবিননামা থাকায় ভাতাভোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনীষা আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি এবং স্থানীয় চেয়ারম্যানকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.