একে মিলন সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদে দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধি না থাকায় দাপ্তরিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে চরম স্থবিরতা বিরাজ করছে। অভিভাবকশূন্য এই প্রতিষ্ঠানে থমকে আছে জনসেবা ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের চাকা।
এই অবস্থায় অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়ায় রাজপথের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়নের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। জেলা পরিষদের সম্ভাব্য প্রশাসক হিসেবে তৃণমূলের আলোচনায় রয়েছেন সাবেক তুখোড় ছাত্র নেতা, জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা মো. রেজাউল হক। সরেজমিনে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, নিয়মিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় দাপ্তরিক কাজ ও ফাইলবন্দি হয়ে আছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। স্থানীয়দের মতে, একটি গতিশীল নেতৃত্ব ছাড়া এই স্থবিরতা কাটানো সম্ভব নয়।
এমন পরিস্থিতিতে নতুন প্রশাসক নিয়োগের তোড়জোড় শুরু হলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রে আসেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বর্তমান জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো: রেজাউল হক।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সবসময় সক্রিয় থাকা এই নেতা বারবার জেল-জুলুম ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হলেও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। তার ক্লিন ইমেজ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জেলা পরিষদের অচলাবস্থা কাটানো সম্ভব বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনীতিবীদরা।
এ বিষয়ে মোহাম্মদ রেজাউল হক বলেন, "দল যদি আমার দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও অবদানের কথা বিবেচনা করে আমাকে এই দায়িত্ব দেয়, তবে আমি সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদকে একটি দুর্নীতিমুক্ত এবং জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করাই আমার মূল লক্ষ্য।"
তৃণমূলের কর্মীরা মনে করছেন, অভিজ্ঞ ও ত্যাগী নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিলে একদিকে যেমন দলের প্রতি নেতাকর্মীদের আস্থা বাড়বে, অন্যদিকে ঝিমিয়ে পড়া উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরবে। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে কাকে বেছে নেয় দলের হাই - কমান্ড।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.