মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার দীঘা এলাকায় বর্গা জমির ফসল তোলা নিয়ে বিরোধের জেরে মা ও ছেলেকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে জমির মালিকের বিরুদ্ধে। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন দীঘা গ্রামের কলিম উদ্দিনের স্ত্রী সারজিনা বেগম (৫০) ও তার ছেলে শাহীন (৩২)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে দীঘা গ্রামের ওহিদুলের কাছ থেকে শাহীন বর্গা হিসেবে জমি নিয়ে মুসুরির চাষ করেন। চুক্তি অনুযায়ী জমির মালিক ফসলের তিন ভাগের এক ভাগ পাবেন বলে ঠিক হয়েছিল। শনিবার সকালে শাহীন ও তার মা জমি থেকে মুসুরির ফসল তুলছিলেন।
এ সময় জমির মালিক ওহিদুল সেখানে গিয়ে অর্ধেক ফসল দাবি করেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওহিদুল পাশের বাড়ি থেকে লাঠি এনে শাহীন ও তার মা সারজিনা বেগমকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে সারজিনা বেগম মাটিতে পড়ে মাথায় আঘাত পান এবং রক্তক্ষরণ হয়। শাহীনও আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্ত ওহিদুল সেখান থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে স্থানীয়রা আহত মা-ছেলেকে উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হলে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ঘটনার খোঁজখবর নেয়।
আহত শাহীন বলেন, “তিন মাস আগে আমি জমি বর্গা নিয়ে মুসুরির চাষ করেছি। সব খরচ আমার। জমির মালিককে ফসলের তিন ভাগের এক ভাগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন তিনি অর্ধেক ফসল দাবি করছেন। এতে রাজি না হওয়ায় আমাকে ও আমার মাকে মারধর করেছেন। আমরা গরিব মানুষ, এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ওহিদুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, “মাঠের ফসল নিয়ে একটি ছোটখাটো ঝামেলার ঘটনা ঘটেছে। আহত নারীর মাথায় আঘাত থাকলেও তা গুরুতর নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.