Nabadhara
ঢাকারবিবার , ১৫ মার্চ ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝিনাইদহ
  13. ঢাকা বিভাগ
  14. তথ্যপ্রযুক্তি
  15. দিনাজপুর
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মান্দায় রফিকুল হত্যার ১১ দিনেও অধরা আসামিরা

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি
মার্চ ১৫, ২০২৬ ৫:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ১১ দিন পার হলেও এখনো কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে এলাকায় ক্ষোভ ও নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত রফিকুল ইসলাম (৪৫) উপজেলার মান্দা সদর ইউনিয়নের জিনারপুর গ্রামের মৃত জেহের আলীর ছেলে। গত ৪ মার্চ দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার প্রসাদপুর দারুল উলুম ইসলামিয়া ক্বওমী মাদ্রাসা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই রাতে মাদ্রাসা চত্বরে চোর সন্দেহে রফিকুল ইসলামকে আটক করা হয়। এ সময় কয়েকজন শিক্ষক তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে তাকে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণের একটি আমগাছের সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে চিকিৎসার ব্যবস্থা না করে তাকে সেখানেই ফেলে রাখা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

পরদিন বৃহস্পতিবার নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সাকিব হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে মান্দা থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, মাদ্রাসার ক্বারী শিক্ষক সাব্বির হোসেনসহ কয়েকজন শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে শিক্ষক আরিফুল ইসলাম, তুহিন আলী, ওমর ফারুক ও মোর্শেদ আলমের নামও স্থানীয়ভাবে আলোচনা হচ্ছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলেও জানা গেছে।

এদিকে ঘটনার পরদিন বিকেলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয় এবং সন্ধ্যার দিকে প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষকরা সেখান থেকে চলে যান। এতে মাদ্রাসার ভেতরে থাকা জামে মসজিদে নামাজ আদায়ে স্থানীয় মুসল্লিরা সমস্যায় পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ বলেন, “কেউ চুরি করলে দেশের প্রচলিত আইনে তার বিচার হবে। কিন্তু তাকে পিটিয়ে হত্যা করার কোনো বিধান নেই।”

নিহতের ছেলে ও মামলার বাদী সাকিব হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার দিন রাতে তাকে থানায় নিয়ে এজাহারে স্বাক্ষর নেওয়া হলেও তা পড়ে শোনানো হয়নি।

অন্যদিকে নিরাপত্তাজনিত কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা দাবি করেছেন, ঘটনার মীমাংসার জন্য প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চেষ্টা চলছে এবং অভিযুক্তদের কয়েকজনকে এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেলেও এখনো তাদের গ্রেফতার করা হয়নি।

এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম মাসুদ রানা বলেন, “বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মান্দা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাওন বলেন, “মামলার তদন্ত চলছে। বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে। দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।