কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি
পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে খুলনার কয়রা উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ফুটপাতজুড়ে জমে উঠেছে আতর, টুপি ও তসবিহের অস্থায়ী দোকান। কম দামে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে এসব দোকানের দিকে ঝুঁকছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
সোমবার উপজেলার সদর বাজার, দেউলিয়া বাজার, গিলাবাড়ি বাজার, আমাদী বাজার, ঘুগরাকাটী বাজার, চাঁদ আলী বাজার, ঘড়িলাল বাজার ও জায়গীর মহল হাসপাতাল রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, ফুটপাত ও ভ্যানের ওপর ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়ে ব্যবসায়ীরা আতর, টুপি ও তসবিহ বিক্রি করছেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এসব দোকানে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বড় দোকানের তুলনায় ফুটপাতের দোকানে একই ধরনের পণ্য তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায়। ফলে সীমিত আয়ের মানুষজন ঈদ উপলক্ষে এসব দোকান থেকেই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন।
খিরোল গ্রামের শ্রমজীবী হাফিজ বলেন, “ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়ার জন্য ফুটপাত থেকে একটি নতুন টুপি কিনেছি। বড় দোকানের চেয়ে এখানে দাম অনেক কম।”
গিলাবাড়ি বাজারের চা বিক্রেতা অদুদ সানা বলেন, “বড় দোকানে আতর ও টুপির দাম বেশি চায়। তাই আমি ও আমার ছেলের জন্য ফুটপাত থেকেই কম দামে কিনেছি।”
ভান্ডারপোল গ্রামের শ্রমজীবী আব্দুস সালাম বলেন, “ঈদের কেনাকাটার জন্য বড় দোকানে যাইনি। আমি সাধারণত ফুটপাত থেকেই কম দামে জিনিসপত্র কিনে থাকি। ঈদের সময় বড় দোকানগুলোতে দাম বেশি নেয়।”
কয়রা সদরের বাসিন্দা মো. রেজওয়ান বলেন, “ঈদ এলেই বড় দোকানগুলোতে আতর ও টুপির দাম বেড়ে যায়। তাই প্রয়োজনীয় জিনিস আমরা ফুটপাত থেকেই কিনি।”
বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের লিটন জানান, তিনি ও তার পরিবারের জন্য এবারের ঈদের আতর ও টুপি ফুটপাত থেকেই কিনেছেন। একই কথা জানান খেওনা গ্রামের আব্দুস সালাম, খিরোল গ্রামের আব্দুল হান্নান, গড় আমাদী গ্রামের হারুন, বেলালসহ আরও অনেকেই।
ব্যবসায়ীরা জানান, তারা সীমিত লাভে ফুটপাতে বসে আতর, টুপি ও তসবিহ বিক্রি করছেন। তাদের কাছ থেকে মূলত নিম্ন আয়ের মানুষজন বেশি পণ্য কিনছেন।

