শফিকুল ইসলাম সাফা, চিতলমারী
শিল্পের কারিগর বলা হয় বাবুই পাখিকে। বাসা তৈরিতে এদের নিপুণ দক্ষতা রয়েছে। এক সময় গ্রামের তাল ও খেজুর গাছে এদের বাসা প্রায়ই দেখা যেত। এখন পাখিটি বিলুপ্তির পথে। অনেকটা চড়াই পাখির মতো এদের দেখতে মনে হলেও বাস্তবে এরা কঠোর পরিশ্রমী ও আত্মনির্ভরশীল। ঠোঁঠের ক্ষমতায় ঝড়-বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচার জন্য এরা মজবুত ও আরামদায়ক বাসা তৈরি করে সেখানে বসবাস করে। পাখির রাজ্যে এমন বাসা তৈরির ক্ষমতা আর কারো নেই বললে চলে।
এই পাখিটির বাসার প্রতি মানুষেরও রয়েছে অন্যরকম আকর্ষণ। তাই কৃত্রিম বাসা তৈরি করে অনেকে বানিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করছেন। বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে হাতে তৈরি বাবুই পাখির বাসা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন অনেকে।
গত কয়েকদিন ধরে চিতলমারী সদর বাজার ও আশপাশের এলাকায় বাবুই পাখির বাসা বিক্রি করতে দেখা গেছে। বাসা কিনতে উৎসুক ক্রেতাদেরও ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অনেকে এটি দেখার জন্য আসছেন। বাসাগুলি অনেকটা বাবুই পাখির আসল বাসার আদলে তৈরি হওয়ায় ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে। ঘরে শোভা বর্ধনের জন্যও অনেকে হাতে তৈরি এ বাসা কিনছেন।
বাগেরহাট সদর উপজেলার বাসিন্দা মো. আল মামুন শেখ ও সুমন শেখ জানান, তারা পাশের পাটরপাড়া গ্রামের কাছ থেকে বাসাগুলি কিনে নিয়ে এসেছেন। চিতলমারীসহ আশপাশের বিভিন্ন হাট-বাজারে এটি বিক্রি করে তারা ছেলে-মেয়ের লেখাপড়ার খরচ জোগানোর পাশাপাশি সংসার চালাচ্ছেন। প্রতি একটি বাবুই পাখির বাসা একশ থেকে দেড়শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। বিক্রিতে ক্রেতাদের সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলেও তারা জানান।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.