ছায়েদ আহামেদ,হাতিয়া(নোয়াখালী)প্রতিনিধি
নোয়াখালীর হাতিয়ায় ছবক না পারার অভিযোগে এক হেফজ পড়ুয়া শিশুকে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছ মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে উপজেলার খবির মিয়া বাজার সংলগ্ন মমতাজুল মুমিন নূরানী তালিমুল কুরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
নির্যাতনের শিকার শিশুটির নাম আতাউর রহমান। সে হাতিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গুল্যাখালী গ্রামের টমটম চালক নুর আক্তারের ছেলে।
জানা যায়, সে ওই মাদ্রাসায় কুরআনের ৮ম পারা হেফজ করছিল। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আব্দুল হামিদ।
নির্যাতিত শিশুর পিতা নুর আক্তার জানান, ঈদের ছুটির পর তার ছেলে মাদ্রাসায় গেলে কয়েক দিনের পড়া পিছিয়ে পড়ে। ফলে নির্ধারিত ছবক ঠিকভাবে দিতে না পারায় শিক্ষক আব্দুল হামিদ তাকে বেধড়ক মারধর করেন।
তিনি আরও জানান, মারধরের পর সকালে খাবার খেয়ে প্রায় ৯টার দিকে অন্য শিক্ষার্থীরা ঘুমিয়ে পড়লে আতাউর রহমান সেখান থেকে পালিয়ে বাড়িতে এসে তার মাকে শরীরের রক্তাক্ত অবস্থা দেখায়। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষকরা এসে শিশুটির খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন বলেও জানান ভুক্তভোগী শিশুর পিতা।
সন্ধ্যায় ভুক্তভোগীর পিতা আরো জানান, আগামী শনিবার মাদ্রাসায় এ বিষয়ে আলোচনা হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল হামিদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে এবং তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.