অশোক মুখার্জি,কলাপাড়া(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জমি জমা সক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নিহাব তালুকদারের নামের (২৬) নামে এক যুবককের ওপর কুপিয়ে রক্তাক্ত যখম করার অভিযোগ উঠেছে তার চাচা খুকু তালুকদারের বিরুদ্ধে।
স্বজনেরা গুরুতর আহত নিহাবকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
শনিবার দুপুরে উপজেলা বালিয়াতলী ইউনিয়নের লেমুপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। আহত নিহাব ওই এলাকার বাসিন্দা নিজাম তালুকদারের ছেলে।
আহত নিহাব তালুকদার বলেন, আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। আমি বাবাকে দেখাশোনা করতে বাড়িতেই থাকি। বাবার অসুস্থতার সুযোগে চাচা আত্মীয় স্বজনেরা মিলে জমিজমা লিখে নেওয়ার পায়তারা করে। আমি বাড়িতে থাকলে জমিজমা অন্য কেউ লিখে নিতে পারবে না।
এবিষয় নিয়ে আমার নিজ বসত ঘরে এ বিষয় নিয়ে বাবার সাথে কথা বলছিলাম। হঠাৎ বুঝে ওঠার আগেই আমার চাচা খুকু তালুকদারের নেতৃত্বে গফুর তালুকদার, খালা কাজল, খালাতো ভাই বাবু, চাচাতো বোন ইতি, দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোটা নিয়ে আমাকে এলোপাথারি মারতে থাকে। এ সময় আমার মাথা ফেটে যায়। লাঠির আঘাতে এক হাত ভেঙে যায়। এক পর্যায় আমি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ি।
আহত নিহাবের মা শিউলি পারভিন বলেন, আমার মেয়ে লেখাপড়ার সুবাদে আমি মেয়েকে নিয়ে পটুয়াখালীতে থাকি। আমার শশুর বাড়িতেই অসুস্থ স্বামীর দেখাশোনার জন্য আমার ছেলে তার সাথেই থাকে। আমার স্বামীর কিছু জমি আছে তার অসুস্থতার সুযোগে। আমার শশুর বাড়ির লোকজন জমি লেখে নেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। আমার ছেলে ওখানে থাকলে জমিজমা লিখে নিতে পারবে না। এই শ্বশুর বাড়ির লোকজন মিলে আমার ছেলেকে কুপিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয় ও পিটিয়ে হাত ভেঙে দেয়। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে জানতে খুকু তালুকদারের ব্যবহৃত মুঠোফোনে (০১৭৩৫১৬৪৬৯৭) বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেনি।
কলাপাড়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন,এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.