Nabadhara
ঢাকামঙ্গলবার , ৭ এপ্রিল ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দৌলতপুরে তেল সংকট চরমে, কালোবাজারে লিটার ৩০০ টাকা

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
এপ্রিল ৭, ২০২৬ ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

সারা দেশের ন্যায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুরেও তেলের জন্য হাহাকার পড়েছে। তেল সরবরাহের দিন পেট্রোল পাম্প বা ফিলিং স্টেশনগুলিতে থাকছে দিনভর দীর্ঘ লাইন। ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে কারো ভাগ্যে তেল মিলছে, আবার তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে অনেককে।

তবে বিশেষক্ষত্রে দিনের বেলায় লাইনে দাড়িয়ে তেল না পেলেও কতিপয় অসাধু ফিলিং স্টেশন মালিক রাতের আঁধারে কালোবাজারে তেল পাচার করছে এমন অভিযোগ অহরহ। আবার মোটরসাইকেলের ট্যাংকি ভর্তি করে অসাধুচক্র প্রত্যন্ত গ্রাম ও পাড়া মহল্লায় গিয়ে প্রতি লিটার পেট্রোল ৩০০ টাকা বা তারও বেশী দরে বিক্রি করছে এমন অভিযোগও নজরে এসেছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে দৌলতপুর উপজেলা বাজার সংলগ্ন পার্শ্ববতী এলাকায় মুখে দাড়িভর্তি এক মুরব্বিকে মোটরসাইকেলের ট্যাংকি থেকে পেট্রোল বের করে দরদামের মাধ্যমে ৩০০ টাকা লিটার বিক্রি করতে দেখা গেছে। আর এমন দৃশ্য প্রতিনিয়ত দৌলতপুরের বিভিন্ন এলাকায় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাতের আঁধারে পাচার হওয়া বেশীরভাগ তেল সরবরাহ হচ্ছে চরাঞ্চলে।

বিশেষ করে রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনয়নের দূর্গম চরাঞ্চলে এক লিটার পেট্রোল এখন সোনার হরিণ। প্রতি লিটার পেট্রোল সর্বনিম্ন ৩০০টাকা থেকে শুরু করে যার কাছে যে যত দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে পারে এমন প্রতিযোগিতা রয়েছে ওইসব অঞ্চলে। প্রশাসনের নজরদারি না থাকার কারণে এমন ঘটনা এখন প্রকাশ্য ও নিত্যদিনের।

দৌলতপুর থানা বাজারের হাসপাতাল রোডে ৩০০টাকা লিটার পেট্রোল বিক্রি হতে দেখা গেছে। দৌলতপুর কলেজের এক শিক্ষক দিরাজ নামে ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩০০টাকা লিটার তেল কিনেও পড়েছেন বিপাকে। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযানও চালিয়েছে।

একসময় যারা খোলা বাজারে সপ্তাহে আধ লিটার তেল কিনে মোটরসাইকেলে চড়েছে তারা এখন বিশেষ সুবিধায় মোটরসাইকেলের ট্যাংকি ভর্তি করে জমজমাট তেলের ব্যবসা জমিয়েছে। তবে বিশেষ সুবিধার আওতায় আসতে তাদেরও গুনতে হচ্ছে অর্থ, দিতে হচ্ছে মাসুল। স্বস্থির কথা তেলের দূর্মুল্যের বাজারে সড়কে কমেছে মোটরসাইকেলের দৌরাত্ম।

কিশোর গ্যাংয়ের বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল চালানো এখন ততটা দৃশ্যমান নয় বলে পতচারীরা জানিয়েছেন। এরফলে সড়কে দূর্ঘটনাও কমেছে, কমেছে প্রাণহানি।
সর্বপরি তেল নিয়ে তেলেসমাতি কারবারে এখন দিশেহারা মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা।

যারা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সরবরাহ করতে পারছেন না, প্রয়োজনের তাগিদেই তারা উচ্চমূল্যে কালোবাজারে তেল সরবরাহ করে প্রয়োজন মিটাচ্ছেন বলে ভূক্তভোগীদের অভিমত সূত্রে জানাগেছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।