শামীম শেখ, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী )প্রতিনিধি
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে কৃষিপণ্যে “ধলতা” প্রথা বা তোলাবাজি বন্ধ এবং ফসলের লাভজনক দাম নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চালুর দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ কৃষক সমিতি ও জাতীয় কৃষক ক্ষেতমজুর সমিতি গোয়ালন্দ উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ ৮ দফা দাবিসংবলিত স্মারকলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাসের কাছে জমা দেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, গোয়ালন্দ একটি কৃষি প্রধান উপজেলা হওয়ায় এখানে পেঁয়াজ, রসুন, ধান, পাটসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক উৎপাদন হয়। এসব পণ্য স্থানীয় হাটবাজার ও আড়তে বিক্রি করতে গিয়ে কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত “ধলতা” ও তোলা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবি, প্রতি মণে অতিরিক্ত পেঁয়াজ ধলতা হিসেবে আড়াই কেজি এবং তোলা বাবদ আরও এক কেজি পর্যন্ত নেওয়া হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, কোনো ফসলের ওজন ৩৯ কেজি ৯০০ গ্রাম হলেও অনেক সময় তা ৩৯ কেজি ধরে হিসাব করা হয়, ফলে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বলেন, “কোনো ফসলে কৃষকের কাছ থেকে ধলতা বা অতিরিক্ত ওজন নেওয়ার সুযোগ নেই। আমরা ইতোমধ্যে বাজার পরিদর্শন করেছি এবং ব্যবসায়ী, আড়ৎদার ও কৃষকদের সতর্ক করেছি।”
স্মারকলিপিতে উল্লেখিত ৮ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—কৃষিপণ্যে ধলতা ও তোলাবাজি বন্ধ, ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চালু, প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ফসল ক্রয়, ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, বোরো মৌসুমে ধান আমদানি স্থগিত, কৃষি উপকরণের দাম কমানো, কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ, বিএডিসি কার্যকর করা, শস্য বীমা ও পল্লী রেশন চালু এবং বিভিন্ন দপ্তরের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করা।
এ সময় কৃষক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মেহেদী হাসান
কার্যালয়ঃ দেশ ভিলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মিয়া সড়ক, জিটি স্কুল সংলগ্ন, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
মোবাইলঃ ০১৭১৮-৫৬৫১৫৬, ০১৯৯৫-৩৮৩২৫৫
ইমেইলঃ mehadi.news@gmail.com
Copyright © 2026 Nabadhara. All rights reserved.