Nabadhara
ঢাকামঙ্গলবার , ২০ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. প্রধান সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাদারীপুরে সরকারি গোডাউনে নিম্নমানের চাল সংগ্রহের অভিযোগ

মাদারীপুর প্রতিনিধি 
জানুয়ারি ২০, ২০২৬ ৩:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মাদারীপুর প্রতিনিধি 

সরকার যেখানে ভালো মানের আমন সিদ্ধ চাল সংগ্রহে প্রতিকেজি ৫০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করেছে, সেখানে মিলারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে মাদারীপুর সদর উপজেলার সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে নিম্নমানের হাইব্রিড চাল গুদামজাত করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে খাদ্য বিভাগের বিরুদ্ধে।

চাল ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে সরকারি গোডাউনে যে চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে, তা খুচরা বাজারে মাত্র ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। গুণগত মানের দিক থেকে এসব চাল আমন মৌসুমের সবচেয়ে নিম্নস্তরের বলে দাবি তাদের।

চলতি মৌসুমে সরকার আমন সিদ্ধ চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে। এ বছর মাদারীপুর সদর উপজেলায় ৬৬৫ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইটেরপুল মাদারীপুর সরকারি গোডাউনে ৩০০ মেট্রিক টন এবং চরমুগরিয়া সরকারি গোডাউনে ৩৬৫ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের নির্দেশনা রয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিকেজি চালের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা।

তবে সরেজমিন পরিদর্শনে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। চরমুগরিয়া সরকারি গোডাউনে ট্রাকে করে চাল এনে গুদামজাত করতে দেখা যায় শ্রমিক ও কর্মচারীদের। গোডাউন ইনচার্জের উপস্থিতিতে একাধিক বস্তা থেকে স্যাম্পল সংগ্রহ করে দেখা যায়, এসব চাল এ মৌসুমে উৎপাদিত হাওয়া ও নিম্নমানের হাইব্রিড চাল, যা স্থানীয়দের ভাষায় রিকশাচালকরাও কিনে খায় না।

এ বিষয়ে চরমুগরিয়া সরকারি গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ মল্লিক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,‘আমাদের প্রায় সব চালই ভালো মানের। হয়তো কিছু চাল এদিক-সেদিক হতে পারে। সরকারের নির্দেশনা মেনেই চাল গুদামজাত করা হচ্ছে।’

অন্যদিকে ইটেরপুল মাদারীপুর সরকারি গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সঞ্জয় সাহা বলেন,‘সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ীই চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। মিলাররা হাইব্রিড চালই বেশি দিচ্ছেন। হাইব্রিড চালের দাম কম হলে আমাদের করার কিছু নেই।’

তবে গোডাউনের ইনচার্জদের উপস্থিতিতে সংগৃহীত স্যাম্পল চাল স্থানীয় চাল ব্যবসায়ীদের দেখানো হলে তারা ভিন্নমত দেন। ব্যবসায়ীরা চাল পরীক্ষা করে জানান, এগুলো আমন মৌসুমের সবচেয়ে নিম্নমানের চাল।

চাল ব্যবসায়ী মো. নুরুল ইসলাম, আবুল কালাম বেপারী ও কেরামত আলী বলেন,‘এত নিম্নমানের চাল আমরা বিক্রিই করি না। এসব চাল সাধারণত পশু-পাখির খাবার হিসেবে ব্যবহার হয়। গরিব মানুষও এ চাল কিনে না।’

এ বিষয়ে জেলা খাদ্য কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,‘সংবাদকর্মীরা কেন খাদ্যগুদামে গিয়েছেন? এ নিয়ে নিউজ করার কী আছে?’

পরে তিনি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে দাবি করলেও বক্তব্য রেকর্ড করতে কিংবা ভিডিও বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর আলম বলেন,‘নিম্নমানের চাল সংগ্রহের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।