Nabadhara
ঢাকাসোমবার , ৩০ মার্চ ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আমতলীতে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু: ১২ বছরেও সংস্কার হয়নি, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ছয় গ্রামের মানুষ

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
মার্চ ৩০, ২০২৬ ৬:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলী উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের সোনাখালী বাজার সংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু দীর্ঘ ১২ বছর ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। সেতুর মাঝখানের অংশ ধসে যাওয়ায় স্থানীয়দের উদ্যোগে বসানো নড়বড়ে কাঠের পাটাতনের ওপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন অন্তত ছয়টি গ্রামের প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর মাঝ বরাবর বড় একটি অংশ ভেঙে খালে পড়ে রয়েছে। সেখানে অস্থায়ীভাবে কাঠের পাটাতন বসানো হলেও তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সেতুর উত্তর পাশও আংশিক দেবে গেছে। প্রতিদিন শত শত মানুষ, শিক্ষার্থী এবং হালকা যানবাহন এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ব্যবহার করে পারাপার করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) লোহার কাঠামোর ওপর ঢালাই দিয়ে সেতুটি নির্মাণ করে। ২০১৪ সালে সেতুর মাঝখান ভেঙে পড়লে একটি পণ্যবাহী ট্রলি খালে পড়ে যায়। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেতুটি সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এই সেতুর ওপর নির্ভরশীল সোনাখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গেরাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাহবুব আলম মোল্লা মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থী প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে।

সোনাখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী যুথি জানায়, “প্রতিদিন ভয়ে ভয়ে সেতু পার হই। কখন ভেঙে পড়ে সেই আতঙ্ক সবসময় থাকে।” একই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র হাসিব বলে, “বিকল্প রাস্তা না থাকায় বাধ্য হয়েই এই সেতু ব্যবহার করতে হচ্ছে।”

স্থানীয় বাসিন্দা মো. হানিফ হাওলাদার বলেন, “সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। দ্রুত সংস্কার করা জরুরি।”

আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রিপন জানান, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পরপরই উপজেলা প্রকৌশল বিভাগকে একাধিকবার অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রাই কাঠের পাটাতন বসিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন।

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস বলেন, “সেতুটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সংস্কার সম্ভব হয়নি। সেখানে একটি নতুন গার্ডার সেতু নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।”

এদিকে দ্রুত সেতুটি সংস্কার বা নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের আশঙ্কা, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।