Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ২৬ জুলাই ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পঞ্চগড়ে এলপিজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের দাবিতে বাপার স্মারকলিপি

মো.এনামুল হক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি
জুলাই ২৬, ২০২৫ ২:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মো.এনামুল হক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি

অবৈধভাবে জনবহুল ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এলপিজি ফিলিং স্টেশন নির্মাণ কাজ বন্ধ ও প্রাথমিক অনুমোদন বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) পঞ্চগড় জেলা শাখা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে।

শুক্রবার (২৫ জুলাই), পঞ্চগড় সদর উপজেলার পুরাতন পঞ্চগড় এলাকায় জেলা রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন স্থানে নির্মাণাধীন ‘বেঙ্গল এলপিজি’ ফিলিং স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধে দাবি জানিয়ে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এ সময় বাপা পঞ্চগড় জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম জুয়েল জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলীর হাতে স্মারকলিপিটি তুলে দেন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাপার কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট এম কে মিলন ও সদস্য, জ্যেষ্ঠ গণমাধ্যমকর্মী শহীদুল ইসলাম শহীদ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, রংপুর শহরে এলপিজি স্টোরেজ ট্যাংক বিস্ফোরণের ঘটনায় একজন নিহত হন এবং আশপাশের ঘরবাড়ি ও যানবাহনের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এছাড়া ময়মনসিংহ শহরে এলপিজি ফিলিং স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পঞ্চগড় শহরের সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। এমন অবস্থায় জনবসতিপূর্ণ পুরাতন পঞ্চগড়ে বেঙ্গল এলপিজির নির্মাণকাজ এলাকাবাসীর নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ বলে উল্লেখ করা হয়।

বাপা জানায়, প্রস্তাবিত এলপিজি ফিলিং স্টেশনের ঠিক সামনে রয়েছে পঞ্চগড় জেলা রেজিস্ট্রি অফিস, যেখানে শত বছরের মূল্যবান রেকর্ড রক্ষিত আছে। চারপাশে রয়েছে বসতবাড়ি, যা এলপিজি বিধিমালা ২০০৪ এর স্পষ্ট লঙ্ঘন। বিধিমালা অনুযায়ী জনবসতিপূর্ণ, বাণিজ্যিক এবং সরকারি অফিস সংলগ্ন এলাকায় এলপিজি ফিলিং স্টেশন স্থাপন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

বাপার অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, বেঙ্গল এলপিজিকে যেসব সংস্থা ছাড়পত্র দিয়েছে, তারা কীভাবে ব্যস্ত জনবসতিপূর্ণ এলাকায় অনুমোদন দিয়েছে—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনুমান করা হচ্ছে, প্রতিষ্ঠানটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস রিফুয়েলিং ও ওয়ার্কশপ পরিচালনার নীতিমালা ২০১৬ এবং এলপিজি বিধিমালা ২০০৪ লঙ্ঘন করে অনুমোদন পেয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, তারা এর আগে আপত্তি তুললেও প্রভাবশালীদের হুমকির কারণে মুখ খুলতে পারেননি। ফলে বাপার মাধ্যমে তারা এ দাবি উত্থাপন করছেন। একই সঙ্গে জেলার অন্যান্য এলপিজি ফিলিং স্টেশনগুলোর চূড়ান্ত অনুমোদন না থাকলে সেগুলোও বাতিলের দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপি গ্রহণ করে জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী জানান, “বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে।”

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) পঞ্চগড় জেলা শাখা জানায়, জননিরাপত্তার স্বার্থে আইনসংগত যেকোনো প্রক্রিয়ার সঙ্গে তারা একাত্মতা প্রকাশ করে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।