রাসেল আহমেদ,খুলনা প্রতিনিধি
খুলনা রেঞ্জে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, পিপিএমের নেতৃত্বে পুলিশি কর্মকাণ্ডে এসেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন। মাঠপর্যায়ে তার তৎপরতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ খুলনা রেঞ্জের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে নতুন দিশা দিয়েছে।
ডিআইজি রেজাউল হক নিয়মিত জেলা ও থানা পর্যায়ে গিয়ে পুলিশি কার্যক্রম তদারকি করছেন। তার নির্দেশনায় পুলিশ সদস্যদের আচরণ এখন অনেক বেশি জনবান্ধব এবং অভিযোগের প্রতিক্রিয়া দ্রুত পাওয়া যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ পুলিশি সেবায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন, যা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া তৈরি করেছে।
কিছু জেলায় এখনও অপরাধ দমন আরও জোরদারের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে সাতক্ষীরা, যশোর, ঝিনাইদহ ও নড়াইলের কিছু এলাকা। এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব ডিআইজি অফিস জানিয়েছে। অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে অনিয়ম প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ বিধিমতো।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে খুলনা রেঞ্জে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেখানে বাড়ানো হয়েছে টহল ও নজরদারি। পুলিশের পাশাপাশি সেনা, র্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের সমন্বিত মোতায়েন নিশ্চিত করা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে, যাতে বিভ্রান্তি বা অপপ্রচার নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করতে না পারে।
ডিআইজি রেজাউল হক বলেন, “আমরা নিশ্চিত করতে চাই শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু এবং নিরাপদ নির্বাচন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও সাদা পোশাকে নজরদারি থাকবে। প্রয়োজনে সব বাহিনী একযোগে কাজ করবে।”
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে খুলনা রেঞ্জজুড়ে পুলিশের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং পেশাদারিত্বের মাত্রা বেড়েছে। অপরাধ দমন, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সেবার গতি আরও কার্যকর হয়েছে। সাধারণ মানুষও পুলিশের প্রতি আস্থা প্রকাশ করছেন, যা রেঞ্জের আইনশৃঙ্খলার ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
স্থানীয়দের মতে, ডিআইজি রেজাউল হকের নেতৃত্বে খুলনা রেঞ্জে যে পরিবর্তনের ধারা শুরু হয়েছে, তা শুধু আইনশৃঙ্খলায় নয়, মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে।

