Nabadhara
ঢাকাসোমবার , ৫ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. প্রধান সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তীব্র শীতে হুমকিতে বিরামপুরের বোরো চারা

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, দিনাজপুর প্রতিনিধি
জানুয়ারি ৫, ২০২৬ ৯:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, দিনাজপুর প্রতিনিধি

তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়ে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধানের বীজতলা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসা শীত ও কুয়াশার কারণে বড় আবাদ লক্ষ্যে প্রস্তুত করা অনেক বীজতলার চারা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

চারা রক্ষায় প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে কৃষকরা মাঠে নেমে পড়েছেন। কেউ পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে দিচ্ছেন, কেউ সেচ দিচ্ছেন, আবার কেউ কীটনাশক ও পুষ্টি উপাদান স্প্রে করছেন। কৃষকদের আশঙ্কা—এই বীজতলা নষ্ট হয়ে গেলে তাদের বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

নতুনকরে বীজতলা তৈরি করতে অতিরিক্ত সময় ও খরচ দুটোই বাড়বে।দিনাজপুরআবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ দিনাজপুর জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ প্রায় ৯০ শতাংশ।

বিরামপুর উপজেলার ৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়নের কৃষক খাইবার আলী ও মশিউর রহমান জানান, একমন মিনিকেট ও হাইব্রিড বোরো আবাদ লক্ষ্যে তারা বীজতলা তৈরি করেছিলেন। তবে শুরু হওয়া শৈত্যপ্রবাহে প্রায় ৫ বিঘা জমির বীজতলার চারা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ক্ষতি কমাতে তারা প্রায় দুই হাজার টাকার পলিথিন কিনে বীজতলা ঢাকার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে বিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষি কর্মকর্তা কমল কৃষ্ণ রায় জানান, উপজেলায় চলতি মৌসুমে বোরো আবাদ লক্ষ্যে প্রায় ১৫ হাজার ২৫০ হেক্টর জমির চাহিদা রয়েছে। এ জন্য বর্তমানে প্রায় ৭০০ হেক্টর জমিতে বীজতলা প্রস্তুত রয়েছে।

শৈত্যপ্রবাহ জনিত ক্ষতি কমাতে কৃষকদের প্রতি বিশেষ পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, “বীজতলা রক্ষার্থে ১০ লিটার পানিতে ৬০ গ্রাম পটাশ (কুইক বা ফাস্ট পটাশ), ৩০ গ্রাম থিওভিট এবং ২০ গ্রাম চিলেটেড জিংক মিশিয়ে স্প্রে করা যেতে পারে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা সেচ ও পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখলে চারা রক্ষা করা সম্ভব।

তীব্র শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকলে বোরো মৌসুমে উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কৃষকরা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পরামর্শ জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।