Nabadhara
ঢাকাসোমবার , ২০ এপ্রিল ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মনিরামপুরে খননকৃত নদীর পাড়ে বাইপাস সড়কের সম্ভাবনা, ব্যয় কমার আশা

মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
এপ্রিল ২০, ২০২৬ ৮:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় খননকৃত নদীর পাড় ব্যবহার করে কম খরচে বাইপাস সড়ক নির্মাণের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধান হতে পারে এবং প্রস্তাবিত ব্যয়ের তুলনায় অনেক কম খরচে প্রকল্পটি সম্পন্ন করা সম্ভব।

জানা গেছে, পৌর এলাকার মোহনপুর বটতলা থেকে বাদামতলা সেতুর পূর্ব পাড় হয়ে গোহাটা পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার নদীর পাড়কে বাইপাস সড়ক হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে পৌরশহরের প্রায় ৭০০ মিটার সংকীর্ণ সড়কে সৃষ্ট যানজট থেকে স্বস্তি মিলবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

বর্তমানে প্রস্তাবিত বাইপাস সড়ক নির্মাণে প্রায় ২০৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, নদীর পাড় ব্যবহার করে এ সড়ক নির্মাণ করলে মোট ব্যয়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশ খরচেই কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব হতে পারে।

ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, ২০০১ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস মনিরামপুরে যানজট নিরসনে বাইপাস সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়নি। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে সড়ক উন্নয়ন হলেও পৌর এলাকার একটি অংশ প্রশস্ত না হওয়ায় যানজট পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।

এদিকে, ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ১৪০ কোটি টাকার নদী ও খাল খনন প্রকল্প বর্তমানে চলমান রয়েছে। এর অংশ হিসেবে হরিহর নদী খনন করা হচ্ছে এবং নদীর দুই পাড়ে বিপুল পরিমাণ মাটি ফেলা হচ্ছে, যা রাস্তা নির্মাণের জন্য উপযোগী করা যেতে পারে।

নদী খনন কাজে যুক্ত এক কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন জানান, নদীর পাড়ে ক্ষেত্রবিশেষে ১৫ থেকে ২০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা তৈরি করা সম্ভব। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাইপাস সড়ক নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী ফয়সাল আহমেদ বলেন, এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন কিছুটা জটিল হলেও সম্ভব। এতে ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসতে পারে। অন্যদিকে, সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সদিচ্ছা থাকলে প্রতি কিলোমিটারে ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি নির্মাণ করা যেতে পারে।

সওজ যশোর অঞ্চলের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আলাউর রহমান জানান, বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

স্থানীয়রা দ্রুত সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।