মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, খালিয়াজুড়ি (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়িতে ২০ এপ্রিল রোজ সোমবার সকাল ১১’০০ টার সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে হাম রুবেলা ঠিকাদান কর্মসূচির শুভ উদ্ভোধন করা হয়।
জানা যায় খালিয়াজুড়ি উপজেলায় ছয়টি ইউনিয়ন প্রায় লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। এর মধ্যে ছয় মাস বয়স থেকে ছয় বছর পর্যন্ত মোট ৯৮৮৬ জন শিশুকে উক্ত ঠিকাদান কর্মসূচির আওতায় টার্গেট করা হয়।
উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ১১৯ টি কেন্দ্র ও বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় ২৫ টি কেন্দ্র সহ সর্বমোট ১৪৪ টি কেন্দ্রে ২০ এপ্রিল হতে ১১ মে মাস পর্যন্ত উক্ত ঠিকাদান কর্মসূচি চালু থাকিবে। এর মধ্যে ১১ দিন উক্ত কার্যক্রম চলবে।
ঠিকাদান কর্মসূচি উদ্ভোধন শেষে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হল রোমে উপজেলা ইপিআর এর স্বাস্থ্যকর্মী মোঃ কয়েসুর রহমানের সঞ্চলনায় উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ আরেফিন আজিম।
প্রধান অতিথি, হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাদির হোসেন শামীম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খালিয়াজুড়ি উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও গাজীপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ স্বাধীন এবং খালিয়াজুড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দীন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নব যোগদানকৃত ডাঃ মোঃ মোস্তাকিম।
বক্তব্য রাখেন, খালিয়াজুড়ি উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক, মাহবুবুর রহমান তালুকদার কেষ্ট, নেত্রকোনা ৪ আসনের মাননীয় এমপি জনাব লুৎফুজ্জামান বাবর মহোদয়ের ব্যাক্তিগত সহকারী জহির আহমেদ জিকু, ডঃ ফজলুল হক কাজল, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আজিমেল কদর, মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপার ভাইজার মোহাম্মদ মোক্তার হোসেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ রুবেল মিয়া, খালিয়াজুড়ি উপজেলায় প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ,উপজেলা মসজিদের ঈমাম মাওলানা মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী।
উপস্থিত ছিলেন খালিয়াজুড়ি উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এনামুল হক ছোটন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ফাহিম হোসেন সুমন, ছাত্র দলের আহবায়ক মাজহারুল ইসলাম পলিন, সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত হৃদয়, স্বাস্থ্য কর্মী মোঃ রফিকুল ইসলাম, নার্সিং ইনচার্জ ফাতেমা আক্তার, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দসহ শতাধিক জনতা।
প্রধান অতিথি বলেন, হাম রুবেলা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ছয় মাস বয়স থেকে ছয় বছর পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি শিশুকে হামের ঠিকা গ্রহণ করা উচিত।
এ জন্য আামাদেরকে প্রতিটি পরিবারের নিকট হামের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ঠিকা নেওয়ার খুবই জরুরী প্রয়োজনের কথাটি বুঝাতে হবে। তাহলে আশা করি, প্রতিটি পরিবারের শিশু ঠিকা গ্রহণ করিবে,এবং হামের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ।
পরিশেষে হামের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া কামনা করে উপস্থিত সকলের সুস্বাস্থ্যের ও দীর্ঘায়ু কামনা শেষে সভাপতি মহোদয় সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

