Nabadhara
ঢাকামঙ্গলবার , ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তেরখাদায় তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ বাবার

খুলনা প্রতিনিধি
অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ৮:০৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

খুলনা প্রতিনিধি

খুলনার তেরখাদায় ফুফুর বাড়ি থেকে বৃষ্টি খাতুন (১৯) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তাঁর বাবা কালাম মোল্লা। সম্পত্তি লিখে নেওয়ার বিরোধের জেরে মেয়েকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এ ঘটনায় নিজের দুই বোনসহ পাঁচ আত্মীয়ের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ এনে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত নয় পুলিশ।

গত ২৫ অক্টোবর গভীর রাতে উপজেলার আঞ্চনগাতী গ্রামে ফুফুর বাড়ির একটি ঘর থেকে বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাঁকে পাওয়া যায়। বৃষ্টি উপজেলার পূর্ব কাটেঙ্গা এলাকার বাসিন্দা। প্রবাসী আকাশ গাজীর সঙ্গে মুঠোফোনের মাধ্যমে তাঁর বিয়ে হয়েছিল বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় গত ২৭ অক্টোবর তেরখাদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহম্মেদ আলী বিশ্বাসের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন কালাম মোল্লা। অভিযোগে তাঁর দুই বোন তাহলিমা বেগম (৫৫) ও নাজমা বেগম (৪০), ভাগনে নাজিম সরদার (৩৫), ভাগনি আফরোজা বেগম (২৭) এবং মেয়ের জামাই শীন ইসলামের (৩৭) নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে কালাম মোল্লা দাবি করেন, তাঁর মেয়ে খুলনার আয়শা সিদ্দিকিয়া মহিলা মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতেন। প্রায় দুই বছর আগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে যান। এরপর থেকে তাঁকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়। বৃষ্টির নামে জমি থাকায় তাঁকে নিজেদের কাছে রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে আইনের আশ্রয় নিয়েও সফল হননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন কালাম মোল্লা। তাঁর দাবি, গত চার থেকে পাঁচ মাস ধরে বৃষ্টির নামে থাকা সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এ সময় মেয়েকে নির্যাতন এবং চিকিৎসা নিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

কালাম মোল্লা জানান, গত ২৫ অক্টোবর রাতে তেরখাদা থানা থেকে ফোন করে তাঁকে মেয়ের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। পরে থানায় গিয়ে তিনি বৃষ্টির মরদেহ দেখেন। মরদেহ গোসল করানোর সময় মেয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতচিহ্ন দেখতে পান বলে দাবি করেন তিনি। এসব ঘটনা উল্লেখ করে সম্পত্তি লিখে নেওয়ার বিরোধের জেরে মেয়েকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।

তেরখাদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহম্মেদ আলী বিশ্বাস বলেন, বৃষ্টির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অভিযোগে নাম থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।