Nabadhara
ঢাকারবিবার , ১৭ আগস্ট ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. প্রধান সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুলনায় মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের বি/রুদ্ধে অ’নিয়মের অ/ভিযোগ, ত’দন্ত করছে শিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়

রাসেল আহমেদ, খুলনা প্রতিনিধি
আগস্ট ১৭, ২০২৫ ২:০৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাসেল আহমেদ, খুলনা প্রতিনিধি

খুলনার গগণবাবু রোডে অবস্থিত সবুরণনেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মরিয়ম ছিদ্দিকার বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগে বাণিজ্য, আর্থিক অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। বিষয়গুলো তদন্তে নেমেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর।

জানা গেছে, গত জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে মন্ত্রণালয়ের একটি তদন্ত দল কলেজটিতে পরিদর্শনে আসে। এর পর থেকেই কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। কলেজের একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেছেন, অধ্যক্ষ মরিয়ম ছিদ্দিকার বাড়ি গোপালগঞ্জ হওয়ায় এবং রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় কেউ এতদিন মুখ খুলতে পারেনি। তবে এবার আমরা সঠিক তদন্ত আশা করছি।

নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়ম,নবধারার তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। তার সময়েই প্রায় ২২ জন শিক্ষক ও একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ পান। এসব নিয়োগে অধ্যক্ষ মরিয়ম ছিদ্দিকার প্রত্যক্ষ জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

২০০৭ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কলেজের শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলেও সে সময় কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন মরিয়ম ছিদ্দিকার আপন সেজো ননদ নুরুন আকতার। তার মাধ্যমেই ওই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মরিয়ম ছিদ্দিকাকে উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

পরে অধ্যক্ষ হওয়ার ক্ষেত্রেও জ্যেষ্ঠতার নিয়ম লঙ্ঘন করে ৭ম জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দিয়ে নিজে পদে আসীন হন তিনি।

ভুয়া বিল ও অর্থ আত্মসাত,২০১৬ সালের এক তদন্তে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকার ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া যাতায়াত বিল, আপ্যায়ন, গাড়ি মেরামত ও মামলার খরচ দেখিয়ে আরও নানা অনিয়মের তদন্ত এখনো চলমান।

অভিযোগ রয়েছে, কলেজের রজতজয়ন্তীর আয়োজন, ট্রেনিংয়ের সময় খাতায় মিথ্যা স্বাক্ষর রাখা, পদোন্নতিতে ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রভাব, এমনকি বিভিন্ন তদন্ত কমিটিকে ম্যানেজ’ করার চেষ্টায় শিক্ষকদের ব্যবহার করাও এই অনিয়মের অংশ।

সভাপতির পদে ঘন ঘন পরিবর্তন-গত এক বছরে কলেজটির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির পদে ৬ বার পরিবর্তন এসেছে। শিক্ষকদের অভিযোগ, কেউ অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তুললেই তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে বিএনপিপন্থী নার্গিস আলী সভাপতি হলে তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলায় তাকেও বাদ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে কলেজের এক ছাত্রীর অভিভাবক ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে সভাপতি করা হয়।

অধ্যক্ষের বক্তব্য,নবধারার জেলা প্রতিনিধিকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় অধ্যক্ষ মরিয়ম ছিদ্দিকা বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ২৯টি অভিযোগ করা হয়েছে। সেগুলোর জবাব প্রস্তুত করছি। আমি কোনো অনিয়ম করিনি। আমার নিয়োগের সময় আমার সেজো ননদ অধ্যক্ষ ছিলেন—এটা ঠিক, তবে কোনো নিয়ম লঙ্ঘন হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, অনেক শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তারা আমাকে সরাতে চায় বলেই এসব অভিযোগ করছে।

অন্যদিকে, কলেজের একাধিক শিক্ষক নবধারাকে জানান, “আওয়ামী লীগ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এতদিন কেউ কিছু বলতে পারেনি। তবে এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে আমরা সত্য উন্মোচনের আশা করছি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।