Nabadhara
ঢাকারবিবার , ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যশোরে ১৩টি সরকারি স্থাপনা ‘অতিঝুঁকিপূর্ণ

যশোর প্রতিনিধি
ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ ৬:২৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

যশোর প্রতিনিধি

যশোরে ১৯৯৫ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে সরকারি ১৩টি স্থাপনাকে ‘অতিঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও বেশিরভাগই এখনও অপসারণ হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, দ্রুত এসব ভবন অপসারণ করে নতুন ভবন নির্মাণ না করলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অতিঝুঁকিপূর্ণ ভবনের মধ্যে রয়েছে পুলিশ ব্যারাক-১ ও ২, জেনারেল হাসপাতালের নার্সেস কোয়ার্টার ও আরএমও ভবন, কেন্দ্রীয় কারাগারের মহিলা কারারক্ষী ব্যারাক, রূপসা বন্দী ব্যারাক, জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের পুরনো ভবন, বিআরটিএ অফিস, গণপূর্ত উপ-বিভাগ-১ এর কার্যালয়, হাসপাতালের পুরনো অপারেশন থিয়েটার ও গাইনি ওয়ার্ড, পুলিশ ব্যারাক-১, কেন্দ্রীয় কারাগারের অফিস ভবন এবং ডেপুটি জেল সুপারের বাসভবন।

এই স্থাপনাগুলো ব্রিটিশ, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ আমলে নির্মিত। এর মধ্যে ব্রিটিশ ও বাংলাদেশ আমলের ভবন রয়েছে পাঁচটি করে, পাকিস্তান আমলের ভবন দুটি। কিছু ভবন পাকিস্তান আমলে শুরু হয়ে বাংলাদেশ আমলে শেষ হয়েছে।

যশোর গণপূর্ত উপবিভাগ-১ এর কার্যালয় মাত্র ৪১ বছর বয়সে ‘অতিঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, ভবনের ব্যবহারযোগ্য আয়ু নির্ভর করে নির্মাণের মান ও নিয়মিত সংস্কারের ওপর।

তালিকায় থাকা দুটি ভবনের—যশোর জেলা প্রশাসকের পুরনো বাসভবন ও জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের পুরনো ভবন—ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে এখনও ভাঙা হয়নি। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান জানান, এই ভবন দুটি সংস্কারের মাধ্যমে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের রূপসা ব্যারাক খালি করে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু মহিলা কারারক্ষী ব্যারাক এখনও ব্যবহার করা হচ্ছে। জেনারেল হাসপাতালের পুরনো অপারেশন থিয়েটার ও গাইনি ওয়ার্ড ইতিমধ্যেই অপসারণ করা হয়েছে। নার্সেস কোয়ার্টার ও আরএমও ভবন অফিসিয়ালি ব্যবহৃত হচ্ছে না।

সরকারি ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা সহজ হলেও, অপসারণ ও নতুন স্থাপনা নির্মাণ প্রক্রিয়া জটিল ও সময়সাপেক্ষ। সংশ্লিষ্ট ভবন কর্তৃপক্ষ সার্ভে শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানায়, এরপর ঠিকাদারের মাধ্যমে নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পের বাজেট এবং অনুমোদনের ধাপও প্রক্রিয়াটিকে দীর্ঘায়িত করে।

ফলে, যশোরে ১৩টি অতিঝুঁকিপূর্ণ সরকারি ভবন দ্রুত সংস্কার ও পর্যবেক্ষণ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে, তবে কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে কিছু ভবন সংরক্ষণ ও নতুন ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া চলমান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।