হাসান শাহরিয়ার পল্লব,পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি
নওগাঁর পত্নীতলায় তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে নারীদের বেধরক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে রাশেদ নামের এক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে।এবিষয়ে ৪ কে বিবাদী করে পত্নীতলা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পত্নীতলার ঘোষনগর ইউনিয়নের বাদ জামগ্রামের বাসিন্দা বাদী মনোরঞ্জন চন্দ্র বর্মণের ছাগল রশিদুল ইসলামের ধানের চারা নষ্ট করছিলো। এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে সেনা সদস্য রাশেদ এর নির্দেশ এবং তার সরাসরি অংশগ্রহণে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আনোয়ার, রশিদুল ও রাশেদা বেগম শ্রীমতি আরতী রানী ও শ্রীমতি সুথি রানী কে লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে এতোপাতারী মারপিট শুরু করে। পরবর্তী তে বাদী মনোরঞ্জন চন্দ্র দাস ও রনি বর্মন তাদের উদ্ধার করতে আসলে তাদের কেউ আঘাত করা হয়।
পরবর্তী তে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে শ্রীমতি আরতী রানী’র অবস্থা খারাপ থাকায় ভর্তি করান এবং বাঁকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, রাশেদ আর্মির চাকরি পাবার পর ওর পরিবার একেবারে বেপরোয়া হয়ে গেছে। গ্রামের মানুষদের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। কিন্তু আজ কে আমাদের চোখের সামনে যা করেছে তা কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য না। রাশেদ মনোরঞ্জন চন্দ্র দাস এর গলা এমনভাবে চিপে ধরেছে সে জিব্হা বের করেছে তবুও ছেড়ে দেয়না পরবর্তী তে তার মা শ্রীমতি আরতি এসে রাশেদের পা ধরে বলছে বাবা আমার একটা ছেলে মারা গেছে এই ছেলেটাক আর তুমি মাইরোনা। এমন কথা বলার পরেও ঐ মহিলা কে মাটিতে ফেলে ইচ্ছে মতো মেরেছে।
অভিযুক্ত রাশেদের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.নিয়ামুল হক বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

