Nabadhara
ঢাকারবিবার , ২৮ জুন ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কর্মদক্ষতায় স্বাবলম্বী হতে চায় প্রতিবন্ধী জয় হালদার, চায় একটি ল্যাপটপ ও স্মার্টফোন

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
জুন ২৮, ২০২৬ ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

জন্ম থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধী। নিজে চলাফেরা করতে পারেন না, কথাও বলেন অস্পষ্টভাবে। তবে শারীরিক সীমাবদ্ধতা জয় করতে দৃঢ় মনোবল আর প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহই হয়ে উঠেছে জয় হালদার (১৯)-এর শক্তি। পা দিয়ে স্মার্টফোন পরিচালনা করে ডিজিটাল মার্কেটিং, সাইবার সেবা ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিভিন্ন বিষয় আয়ত্ত করেছেন তিনি। এখন একটি ল্যাপটপ ও উন্নতমানের স্মার্টফোন পেলে স্বাবলম্বী হয়ে পরিবারের দায়িত্ব নিতে চান।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার রামশীল ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের দরিদ্র কৃষক সুশীল হালদারের বড় ছেলে জয় হালদার। তিন ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ না পেলেও নিজ উদ্যোগে বাংলা ও ইংরেজি লেখালেখি, অনলাইন আবেদন, ডিজিটাল সেবাসহ নানা কাজে দক্ষতা অর্জন করেছেন।

ভাঙা কণ্ঠে জয় হালদার বলেন, “আমি কারও বোঝা হয়ে বাঁচতে চাই না। আমার বাবা-মা একসময় থাকবেন না, তখন আমাকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। একটি ল্যাপটপ ও একটি স্মার্টফোন পেলে ডিজিটাল মার্কেটিং ও ফ্রিল্যান্সিং করে নিজের আয় করতে পারব এবং পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারব।”

তিনি জানান, এর আগে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হোয়াটসঅ্যাপে আবেদন করলেও কোনো সহায়তা পাননি। তাই তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানীর সহযোগিতা কামনা করেছেন।

জয়ের বাবা সুশীল হালদার বলেন, “সাত বছর আগে ১২ হাজার টাকা দিয়ে একটি স্মার্টফোন কিনে দিয়েছিলাম। সেই ফোন দিয়েই পা দিয়ে কাজ শিখেছে। এখন বাংলা-ইংরেজিতে আবেদন লিখতে পারে, বিকাশ-নগদ অ্যাকাউন্ট খুলে দেয়, জমির পরচা ও বিভিন্ন সরকারি ভাতার আবেদনও করে দেয়।”

মা বীভা হালদার বলেন, “আমার ছেলে আমাদের বোঝা নয়। প্রতিদিন অনেক মানুষ তার কাছে মোবাইল ও কম্পিউটারের কাজ শিখতে আসে। তবে সবচেয়ে কষ্ট হয় তাকে বাথরুমে নিয়ে যেতে। ঘরের সঙ্গে একটি বাথরুম হলে আমাদের কষ্ট অনেকটা কমে যেত।”

রাজাপুর গ্রামের লেখক ও নাট্যকার আকাশ রঞ্জন বলেন, “জয় হালদার আমাদের গ্রামের গর্ব। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তার যে মেধা ও আগ্রহ, তা অসাধারণ। যথাযথ সহায়তা পেলে সে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে।”

কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাগুফতা হক বলেন, “জয় হালদারের আবেদন পেয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তাকে একটি ল্যাপটপ ও স্মার্টফোন দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।