Nabadhara
ঢাকামঙ্গলবার , ২১ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দৌলতদিয়ায় ‘ধলতা’র নামে জুলুমের অভিযোগ, ক্ষোভে ফুঁসছেন পদ্মার জেলেরা

শামীম শেখ, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
জুলাই ২১, ২০২৬ ৭:২৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শামীম শেখ, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া এলাকায় পদ্মা নদীর জেলেরা মাছ বিক্রির সময় ‘ধলতা’ (ওজনে কর্তন) দেওয়ার নামে আড়ৎদার ও ব্যবসায়ীদের হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এ প্রথার কারণে ক্ষুব্ধ জেলেরা প্রতিকার দাবি করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পদ্মা নদীতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাছ শিকার করেন জেলেরা। বড় মাছ সবসময় না পাওয়ায় অনেকেই ধারদেনা করে সংসার চালান। কষ্ট করে ধরা মাছ বিক্রি করতে গিয়ে আড়ৎে ওজন কম ধরা এবং বাজারদরের চেয়ে কম দাম পাওয়ায় তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

একাধিক জেলে অভিযোগ করেন, দৌলতদিয়া ঘাটের আড়ৎগুলোতে প্রতি কেজি মাছে ১০০ গ্রাম করে ‘ধলতা’ কাটা অলিখিত নিয়মে পরিণত হয়েছে। এর বাইরে কোনো কোনো ব্যবসায়ী টাকা পরিশোধের সময় আরও অতিরিক্ত ১০০ গ্রাম করে ওজন কম ধরেন এবং প্রতি কেজিতে ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত কম মূল্য দেন। প্রতিবাদ করলে দুর্ব্যবহার ও হুমকির শিকার হতে হয় বলেও অভিযোগ তাদের।

এ নিয়ে গত শুক্রবার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় মাছ ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লার দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় দোকানের দুই কর্মচারী আহত হন। এ ঘটনায় জেলে রমজান শেখ, জয়নাল শেখসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জেলে রমজান শেখ, জয়নাল শেখ ও আহম্মদ শেখ জানান, তারা সেদিন প্রায় সাড়ে ১১ কেজি ওজনের দুটি পাঙ্গাস মাছ বিক্রির জন্য আড়তে নিয়ে যান। দরদাম চূড়ান্ত হওয়ার পরও প্রতি কেজিতে ২০০ গ্রাম করে ধলতা কেটে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে আপত্তি জানালে তাদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বাকবিতণ্ডা ও পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ অস্বীকার করে মাছ ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা বলেন, “১০০ গ্রাম ধলতা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির জেরে কথা কাটাকাটি হয়েছিল। পরে আড়ৎদার বিষয়টি মীমাংসা করেন। এরপরও জেলেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দোকানে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাট চালায়। এখন নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।”

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “ফেরিঘাটের মাছের আড়তে হামলা, আহত করার অভিযোগ ও অর্থ লুটের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি জেলেদের বঞ্চনার অভিযোগও গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।