Nabadhara
ঢাকামঙ্গলবার , ২৮ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে শ্যামনগরে ১০ লাখ বীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

Link Copied!

আনিসুর রহমান সুমন,শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

বাংলাদেশ সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে ১০ লাখ বীজ রোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১০টায় উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টারের সামনে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী অ্যাসোসিয়েশনের ২৫টি যুব সংগঠন, ১২৮টি জনসংগঠন, সাতক্ষীরা গ্রীণ কোয়ালিশন ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত কৃষাণী অল্পনা রানী মিস্ত্রির সভাপতিত্বে এবং বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. শাহীন ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ শামসুজ্জাহান কণক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা গ্রীণ কোয়ালিশনের উপদেষ্টা কল্যাণ ব্যানার্জী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, শ্যামনগর উপজেলা গ্রীণ কোয়ালিশনের সভাপতি কৃষ্ণানন্দ মুখার্জী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাইফুদ্দীন সিদ্দীক, যুব প্রতিনিধি অনন্যা রাজসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, পরিবেশকর্মী, শিক্ষক, সাংবাদিক, গবেষক, কৃষক ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মিজ শামসুজ্জাহান কণক বলেন, সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্যামনগরে ১০ লাখ বীজ রোপণের এই উদ্যোগ উপকূলীয় পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি এ উদ্যোগ সফল করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। পরে তিনি স্থানীয় বিভিন্ন প্রজাতির বীজ এবং একটি বটগাছের চারা রোপণ করেন।

সাতক্ষীরা গ্রীণ কোয়ালিশনের উপদেষ্টা কল্যাণ ব্যানার্জী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনের মতো সংকট বাড়ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের বীজ রোপণ একটি কার্যকর জলবায়ু অভিযোজন উদ্যোগ।

বীজ সহায়তাকারী রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, দেশীয় প্রজাতির ১০ লাখ বীজ রোপণ সফল হলে উপকূল আরও সবুজ হবে এবং পাখিসহ নানা বন্যপ্রাণীর জন্য নতুন আবাসস্থল তৈরি হবে।

আয়োজকরা জানান, ইতোমধ্যে জাম, কাঁঠাল, নিম, তেঁতুল, তাল, খেজুর, মেহগনি, দেবদারু, অর্জুন, বট, কাঠবাদাম, পরশপিপুলসহ বিভিন্ন স্থানীয় প্রজাতির প্রায় ৭ লাখ বীজ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি শ্যামনগর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ১১ সদস্যবিশিষ্ট বীজ রোপণ কমিটি গঠন করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “আজকের একটি বীজই আগামী দিনের একটি শক্তিশালী বৃক্ষ। একটি বৃক্ষ শুধু সবুজের প্রতীক নয়; এটি কার্বন শোষণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মাটি ও নদীতীর রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।” তারা উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধার ও জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজের সবস্তরের মানুষকে এ উদ্যোগে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।