Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৫ মাস পর কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন, দৌলতপুরে আলোচিত ‘পীর’ শামীমের দরবারে পুনরায় দাফন

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি 
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ৫:০৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি 

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আলোচিত ‘পীর’ শামীম জাহাঙ্গীর ওরফে আব্দুর রহমানের মরদেহ দাফনের প্রায় পাঁচ মাস পর কবর থেকে তুলে তাঁর দরবার বা আস্তানায় পুনরায় দাফন করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে পীরের ভক্তরা কবর থেকে মরদেহ তুলে দরবারে নিয়ে পুনরায় দাফন করেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, পীর শামীম নিহত হওয়ার পর থেকেই তাঁর ভক্তদের একটি অংশ কবর থেকে মরদেহ তুলে দরবারে দাফনের চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। এ কারণে দাফনের পর বেশ কিছুদিন ওই কবরস্থানে পুলিশ পাহারা ছিল। তবে শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় ভক্তরা কবর থেকে মরদেহ তুলে দরবারে নিয়ে পুনরায় দাফন করেন বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পীর শামীমের ভাই মো. ফজলুর রহমান সান্টু বলেন, ‘রাতের আঁধারে কারা কীভাবে কবরস্থান থেকে মরদেহ উত্তোলন করে দরবারে নিয়ে গেছে, সে বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘটনাটি দেখতে পেয়ে পুলিশ প্রশাসনকে খবর দিই। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।’

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘পীর শামীম জাহাঙ্গীরের মরদেহ কবরস্থান থেকে কারা কীভাবে উত্তোলন করে দরবারে পুনরায় দাফন করেছে, এমন খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এ ঘটনায় কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির আশঙ্কা আছে কি না জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটার আশঙ্কা নেই।’

দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, ‘পীরের মরদেহ কবরস্থান থেকে উত্তোলন করে দরবারে পুনরায় দাফন করা হয়েছে, এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা হয়েছে। পরবর্তী যে সিদ্ধান্ত হবে, তা জানানো হবে।’

যেভাবে নিহত হন পীর শামীম

উল্লেখ্য, পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে গত ১১ এপ্রিল দুপুর আড়াইটার দিকে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামে বিভিন্ন বয়সী দুই শতাধিক বিক্ষুব্ধ জনতা পীর শামীম জাহাঙ্গীরের আস্তানা বা দরবারে হামলা চালায়।

এ সময় কিলার রাজিব মিস্ত্রিসহ হামলাকারী যুবকরা পীর শামীমকে তাঁর কক্ষ থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে এবং পরে তাঁকে দোতলা থেকে নিচে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর হামলাকারীরা আস্তানায় আগুন ধরিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

নিহত পীরের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরদিন ১২ এপ্রিল বিকেলে একই ইউনিয়নের দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগর (পাঁচশত বিঘা) কবরস্থানে দাফন করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের তিন দিন পর ১৩ এপ্রিল রাতে নিহতের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক ফজলুর রহমান সান্টু বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।