Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ৩ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নওগাঁয় ছাগলে করলা গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭

নওগাঁ প্রতিনিধি
অক্টোবর ৩, ২০২৬ ৪:১২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর ধামইরহাটে ছাগলে জমির করলা গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আবুল কাশেম (৪২) নিহতের ঘটনায় এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।

গ্রেপ্তাররা হলেন—ধামইরহাট উপজেলার বড়শিবপুর (মাস্টারপাড়া) গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে রাকিবুল ইসলাম রনি (২৮), মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে আব্দুল হাকিম (৬০) ও মো. কফিল উদ্দিন (৬৫), ফেরদৌস হোসেনের স্ত্রী আকলিমা বেগম (৩৫), মৃত ইসমাইল হোসেনের মেয়ে হামিদা বেগম (৩৮), আব্দুল হাকিমের স্ত্রী ফরিদা বেগম (৫০) এবং রাকিবুল ইসলাম রনির স্ত্রী জিয়াসমিন বেগম (২১)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে একই গ্রামের রাকিবুল ইসলাম রনির জমির করলা গাছ একটি ছাগলে খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে কৃষক আবুল কাশেম ও রনির পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

পুলিশের দাবি, সংঘর্ষের সময় রাকিবুল ইসলাম রনি ধারালো চাকু দিয়ে আবুল কাশেমকে উপর্যুপরি আঘাত করেন। এতে কাশেমসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হন। তাদের জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কাশেমের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় আহতরা হলেন নিহতের বড় ভাই মুক্তার আলী, ভাইয়ের স্ত্রী রেখা বেগম, বড় ভাই বদিউল ইসলাম ও ছোট ভাই ইমরান আলী। নিহতের স্ত্রীও গুরুতর আহত অবস্থায় বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্য আহতরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নিহত আবুল কাশেম ওই গ্রামের মৃত রাজ মাহমুদ মণ্ডলের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলা দায়েরের পর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে ও নির্দেশনায় ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন এলাকায় রাতভর অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে। পরে হত্যা মামলা দায়ের হলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঘটনার রাতেই সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।