Nabadhara
ঢাকামঙ্গলবার , ২০ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আমতলী সরকারি কলেজে ছাত্রাবাস নির্মাণের দাবি শিক্ষার্থীদের

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
অক্টোবর ২০, ২০২৬ ৫:১০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

দক্ষিণাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী আমতলী সরকারি কলেজে ছাত্রাবাস নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। ছাত্রাবাস না থাকায় দূরদূরান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন পায়ে হেঁটে কলেজে যাতায়াত করতে হচ্ছে। অনেকে আবার শহরের ব্যক্তিমালিকানাধীন মেসে থেকে পড়াশোনা করছেন। এতে বাড়তি খরচের পাশাপাশি ব্যাহত হচ্ছে তাঁদের শিক্ষা কার্যক্রম।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৯ সালে দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম দিকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে আমতলী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। দূরদূরান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধার কথা বিবেচনা করে ১৯৭২ সালে কলেজ মাঠের পশ্চিম পাশে ৪০ আসনের একটি টিনের ছাত্রাবাস নির্মাণ করা হয়। চালুর পর থেকে প্রতি বছরই ছাত্রাবাসটির সব আসন পূর্ণ থাকত।

দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় ছাত্রাবাসটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দরজা-জানালা খুলে পড়ে এবং ২০১৫ সালের বর্ষা মৌসুমে এক রাতে ভবনটি ভেঙে মাটিতে পড়ে যায়। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকার পর সম্প্রতি সেটি সংস্কার করে শ্রেণিকক্ষ ও পরীক্ষার হল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে ছাত্রাবাসের কার্যক্রম।

বর্তমানে কলেজটিতে প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। তাঁদের অনেকেই দূরবর্তী এলাকা থেকে প্রতিদিন যাতায়াত করেন। আবার অনেকে শহরের বিভিন্ন মেসে থাকেন। এতে যাতায়াতের ভোগান্তির পাশাপাশি আবাসন ব্যয় বহন করতে গিয়ে আর্থিক চাপে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা।

কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম বলেন, ছাত্রাবাস না থাকায় প্রতিদিন বাড়ি থেকে হেঁটে কলেজে আসতে হয়। এতে পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে। শহরে থেকে পড়াশোনা করার মতো আর্থিক সামর্থ্য তাঁর নেই।

হলদিয়া থেকে আসা জিয়া এবং মরিচবুনিয়া গ্রামের জাহিদ ও টেপুরা গ্রামের হাসানও একই ধরনের ভোগান্তির কথা জানান। তাঁরা শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট দূর করতে আধুনিক ছাত্রাবাস নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

কলেজের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, ১৯৮৬, ১৯৮৭ ও ১৯৮৮ সালে তিনি তিন বছর কলেজের ছাত্রাবাসের সুপার ছিলেন। তখন কোনো আসন খালি থাকত না। দূরদূরান্তের অনেক শিক্ষার্থী সেখানে থেকে পড়াশোনা করতেন। ছাত্রাবাসটি ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেড়েছে। এ সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

আমতলী উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. ইমরান খান বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী এই কলেজে ছাত্রাবাস থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে দরিদ্র ও দূরবর্তী এলাকার শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য ছাত্রাবাস নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে।

আমতলী উপজেলা সাংবাদিক সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী মো. হায়াতুজ্জামান মিরাজ বলেন, ঐতিহ্যবাহী আমতলী সরকারি কলেজে ছাত্রাবাস নেই, বিষয়টি মেনে নেওয়া কঠিন। সাধারণ ও দরিদ্র পরিবারের দূরবর্তী শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে দ্রুত ছাত্রাবাস নির্মাণ করা প্রয়োজন।

আমতলী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. জামাল হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে কলেজে ছাত্রাবাস থাকা অত্যন্ত জরুরি। তাঁদের আবাসন সমস্যার কথা বিবেচনা করে ছাত্রাবাস নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

দীর্ঘদিনের আবাসন সংকট নিরসনে দ্রুত আধুনিক ছাত্রাবাস নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন আমতলী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।