Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ৪ নভেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শেরপুরে যৌতুক নির্যাতন মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার, পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
নভেম্বর ৪, ২০২৬ ৯:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শেরপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে মামলা গ্রহণে বিলম্ব এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাদত হোসেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও (ওসি) পুলিশের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন শেরপুর থানার ওসি একরাম হোসাইন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ অক্টোবর শেরপুর উপজেলার গারিদহ ইউনিয়নের হাপুনিয়া কলোনি মধ্যপাড়া এলাকায় এ নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ মর্জিনা খাতুন (৩২) ২৫ অক্টোবর তাঁর স্বামী রেজাউল করিমকে প্রধান আসামি করে সাতজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মাইক্রোবাস কেনার জন্য স্বামী তাঁর কাছে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে এবং গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এজাহার দেওয়ার পর মামলা গ্রহণে বিলম্বের অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী। একই সঙ্গে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাহাদত হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযুক্তদের সঙ্গে দেনদরবার করে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি। তবে এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর সরাসরি বক্তব্য জানতে চাইলে তাঁর প্রতিনিধি জানান, অসুস্থতার কারণে তিনি কথা বলতে পারবেন না।

অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই শাহাদত হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি ঘটনাস্থলে তদন্তে গিয়েছিলেন। পরে ঢাকায় কাজ থাকায় কয়েক দিন থানার বাইরে ছিলেন। বাদী অসুস্থ থাকায় তাঁর প্রতিনিধির সঙ্গে কথা হয়েছে। অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। এ সময় প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য অনুসন্ধান করেন। অভিযুক্তের সঙ্গে তাঁর কোনো কথা হয়নি এবং গ্রেপ্তারের আগে তাঁকে কখনো দেখেননি বলেও দাবি করেন তিনি।

এসআই আরও বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধি ও পুলিশ প্রবিধান অনুযায়ী একজন উপপরিদর্শক নিজ ক্ষমতায় কোনো অভিযোগকে নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করতে পারেন না। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

শেরপুর থানার ওসি একরাম হোসাইন বলেন, নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং বুধবার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগও তিনি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।