শফিকুল ইসলাম সাফা, চিতলমারী
বাগেরহাটের ৪টি সংসদীয় আসন পুনর্বহালের দাবিতে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির ডাকা তৃতীয় দফার সকাল–সন্ধ্যা হরতাল চিতলমারীতে ঢিলেঢালা ভাবে পালিত হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে নাজিরপুর–মাওয়া–চিতলমারী আঞ্চলিক মহাসড়কের কুনিয়া স্ট্যান্ডে সড়ক অবরোধ করে হরতাল সমর্থনকারীরা।
হরতালের কারণে দূরপাল্লার কোন যানবাহন চলাচল করেনি। তবে খোলা ছিল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, আঞ্চলিক সড়কসহ সাধারণ যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। সকাল ১১টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের হস্তক্ষেপে আটকে থাকা মালবাহী ট্রাক, পিকআপসহ অন্যান্য যান চলাচল শুরু হয়।
চিতলমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিনুল হক টুলু বিশ্বাস বলেন, “এটা কোন দলীয় আন্দোলন নয়, বাগেরহাটবাসীর স্বার্থ রক্ষার আন্দোলন। জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে আমরা কর্মসূচি শিথিল করেছি। রিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, মাহেন্দ্রসহ ছোটখাটো যান চলাচল এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে হরতালের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। আজকের হরতাল জনভোগান্তির জন্য নয়।”
উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর মাওলানা মনিরুজ্জামান বলেন, “নির্বাচন কমিশন বাগেরহাটের গণমানুষের দাবি উপেক্ষা করে একটি আসন কমিয়ে ৩টি সংসদীয় আসন করেছে। এর প্রতিবাদে আমরা শান্তিপূর্ণ হরতাল কর্মসূচি পালন করছি। বিশেষ করে বাগেরহাট–১ সংসদীয় আসনটি কেটে ফেলা হয়েছে, যা এখানকার মানুষের আশা–আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে আমাদের দাবি, অবিলম্বে আসন পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে বাগেরহাটের ৪টি আসন বহাল রাখা হোক।”

