ফেনী প্রতিনিধি
ফেনীর সোনাগাজীতে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী-দাগনভূঁইয়া) সার্কেল সৈয়দ মুমিদ রায়হানের প্রত্যাহারের দাবিতে সোনাগাজী পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও থানা ঘেরাও করেছে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার রাত সাড়ে দশটা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত তারা এ কর্মসূচি পালন করেন।
মিছিল ও থানা ঘেরাও শেষে পৌর শহরের জিরোপয়েন্টে বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক খুরশিদ আলম ভূঞা ও পৌর যুবদলের আহবায়ক ইকবাল হোসেন।
তারা বলেন এএসপি সার্কেল ছাত্রলীগের সাবেক ক্যাডার। তিনি তার সোনাগাজী কার্যালয়ে আ.লীগের দোসরদের নিয়ে সালিশ বাণিজ্যে ব্যস্ত থাকেন। তার অনৈতিক হস্তক্ষেপে থানা পুলিশ চোর ডাকাত ও কিশোর গ্যাং সদস্যদের ধরতে পারেনা। শুক্রবার রাত নয়টার দিকে বেলাল নামে এক কিশোর গ্যাং সদস্যকে পুলিশ পৌর শহরের জিরোপয়েন্ট থেকে আটক করলে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জামাল উদ্দিন সেন্টুর অনুসারি পৌর যুবদলের যুগ্মআহবায়ক জাবেদ হোসেন ও চরদরবেশ ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা রাজুর নেতৃত্বে বেলালকে তারা পুলিশের কাছ থেকে চিনিয়ে নেন। এসময় উপজেলা বিএনপির সদস্য সৈয়দ আলম ভূঞা বিষয়টি জানতে চাইলে বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন সেন্টুর অনুসারি জাবেদ ও রাজু গং তার ওপর চড়াও হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা সোনাগাজী পশ্চিম বাজারে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে থানা ঘেরাও করে এএসপি সার্কেলের প্রত্যাহার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, সার্কেল অফিসে সালিশ বাণিজ্যের জন্য এএসপি সার্কেল ও বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন সেন্টুকে তারা দায়ী করেন।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, কিশোর গ্যাং সদস্য সন্দেহে পুলিশ বেলাল ও তারেক নামে দুই কিশোরকে আটক করলে কয়েকজন লোক একজনকে চিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে আরেকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। এএসপি সার্কেলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিলের ব্যাপারে তিনি মন্তব্য করতে রাজী হননি।
সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (সোনাগাজী-দাগনভূঞার) সৈয়দ মুবিদ রায়হান বলেন, বক্তব্য দেওয়া মিছিল করার অধিকার সবার আছে। এসব বিষয়ে আমার কোন মন্তব্য নাই।

