Nabadhara
ঢাকারবিবার , ২৮ জুন ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ওষুধ সংকটে যশোর জেনারেল হাসপাতাল, বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে ৮৯ শতাংশ ওষুধ

যশোর প্রতিনিধি
জুন ২৮, ২০২৬ ৯:৫২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

যশোর প্রতিনিধি

যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ওষুধের তীব্র সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীরা। সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে আসলেও অধিকাংশ রোগীকে প্রেসক্রিপশন হাতে নিয়ে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ অপ্রতুল হওয়ায় এ সংকট তৈরি হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আড়াইশ শয্যার যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬৫০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। বহির্বিভাগে প্রতিদিন চিকিৎসা নেন এক হাজারের বেশি মানুষ। যশোর ছাড়াও ঝিনাইদহ, নড়াইল ও মাগুরাসহ আশপাশের জেলার বিপুলসংখ্যক রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালের বার্ষিক ওষুধের চাহিদা প্রায় ৬৫ কোটি টাকা হলেও বরাদ্দ আসে মাত্র ৮ কোটি ২৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। ফলে প্রয়োজনীয় ওষুধের বড় অংশ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না এবং প্রায় ৮৯ শতাংশ ওষুধ রোগীদের বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে।

হাসপাতাল প্রশাসন জানায়, সরকারিভাবে ১১২ ধরনের ওষুধ সরবরাহ করা হলেও চাহিদার তুলনায় তা খুবই কম। এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) থেকে ৮২ ধরনের ওষুধ এবং টেন্ডারের মাধ্যমে ৩০ ধরনের ওষুধ সংগ্রহ করা হয়। তবে টেন্ডারে কেনা ওষুধ দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। বর্তমানে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক, স্যালাইন ও গুরুত্বপূর্ণ ইনজেকশনের সংকট রয়েছে।

মণিরামপুর থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী অনিল রায় বলেন, “চারদিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছি। নাপা ছাড়া তেমন কোনো ওষুধ পাইনি। প্রতিদিন বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে। গরিব মানুষের জন্য এটা খুবই কষ্টের।”

রোগীর স্বজন সেলিনা খাতুন স্মৃতি বলেন, “শাশুড়িকে ১৮ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি রেখেছি। বেশিরভাগ ওষুধ ও ইনজেকশন বাইরে থেকে কিনতে হয়েছে। নার্সদের কাছে চাইলে তারা বলেন, ওষুধের সরবরাহ নেই।”

ওষুধের সংকটের কারণে রোগী ও স্বজনদের ক্ষোভের মুখে পড়ছেন হাসপাতালের নার্সরাও। সিনিয়র স্টাফ নার্স জেসমিন খাতুন বলেন, “রোগীরা বিনামূল্যে ওষুধের আশা নিয়ে আসে। কিন্তু প্রয়োজনীয় ওষুধ দিতে না পারায় আমাদেরই নানা অভিযোগের মুখে পড়তে হয়।”

যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত বলেন, “যশোর ছাড়াও আশপাশের কয়েকটি জেলার রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসায় ওষুধের চাহিদা অনেক বেশি। কিন্তু বরাদ্দ অন্যান্য জেলা হাসপাতালের মতোই। অতিরিক্ত বরাদ্দের জন্য মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সংকট নিরসনের চেষ্টা করা হবে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।