Nabadhara
ঢাকাসোমবার , ২০ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টানা বৃষ্টিতে যশোরে কাঁচা মরিচের সংকট, সপ্তাহেই কেজিতে দাম বেড়েছে ১৩০ টাকা

যশোর প্রতিনিধি
জুলাই ২০, ২০২৬ ১২:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

যশোর প্রতিনিধি

টানা বৃষ্টিতে যশোরে কাঁচা মরিচের উৎপাদন ও সরবরাহে বড় ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ৭০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ থেকে ২০০ টাকায় পৌঁছেছে। একই সময়ে পাইকারি বাজারে দাম ৫০-৫৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩০-১৪০ টাকায় উঠেছে।

যশোরের সাতমাইল বারিনগর হাট, চুড়ামনকাঠি, রাজারহাট ও শহরের বড় বাজার ঘুরে দেখা যায়, উৎপাদন কমে যাওয়ায় সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পাইকারি ও খুচরা দামের ব্যবধানও অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। আগে যেখানে এই ব্যবধান ছিল ১৫ থেকে ২০ টাকা, বর্তমানে তা ৬০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি মৌসুমে যশোরে ৫৫৫ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের আবাদ হয়েছে। তবে টানা বৃষ্টিতে অন্তত ২৪ হেক্টর জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে প্রায় ৩৬০ থেকে ৪৮০ টন মরিচ উৎপাদনের সম্ভাবনা নষ্ট হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য কয়েক কোটি টাকা।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় প্রতিদিন ১৫ থেকে ১৮ টন কাঁচা মরিচের চাহিদা রয়েছে। সাধারণ সময়ে এর প্রায় ৭০ শতাংশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হলেও অতিবৃষ্টির কারণে বর্তমানে স্থানীয় সরবরাহ নেমে এসেছে প্রায় ১৫ শতাংশে। ফলে প্রতিদিন ১৩ থেকে ১৫ টনের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

সাতমাইল বারিনগর হাটের আড়তদার হাজী মহসিন আলী বলেন, “আগে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ টন মরিচের বেচাকেনা হতো। এখন তা ৮ থেকে ১০ টনে নেমে এসেছে। সরবরাহ কম থাকায় বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।”

যশোর বড় বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী দিপু বিশ্বাস বলেন, “মোকাম থেকেই বেশি দামে মরিচ কিনতে হচ্ছে। পরিবহন ও অন্যান্য খরচ যোগ করলে লাভ খুবই সীমিত থাকে।”

খুচরা বিক্রেতা ইউসুফ হোসেন জানান, দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতারা আগের মতো এক কেজি নয়, ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম করে মরিচ কিনছেন। ফলে বিক্রিও কমে গেছে।

মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে সাধারণ ভোক্তাদের ওপরও। শহরের বাসিন্দা ইমাম হোসেন বলেন, “আগে মাসে তিন কেজি মরিচ কিনতে প্রায় ২১০ টাকা লাগত। এখন একই পরিমাণ মরিচ কিনতে প্রায় ৬০০ টাকা খরচ হচ্ছে।”

মরিচচাষি ইব্রাহিম হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন পানি জমে থাকায় মরিচগাছ নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন করে ফুল ও ফলও আসছে না। তাই আগামী কয়েক সপ্তাহেও সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় মরিচক্ষেতের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ চলছে। আবহাওয়া অনুকূলে এলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে এবং উৎপাদন স্বাভাবিক করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।